টানা চার মাসেরও বেশি সময় ধরে গরীব শিশুদের বিনামূল্যে খাবারের আয়োজন করে আসছেন মালদার কাজল বাবু

Dan chotro
Advertisement

কাজল ঘোষ বয়স ৫৫ বছর পেশায় তিনি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তবে তার মন বৃহৎ গত ৪ মাস ধরে লকডাউন এর সময় থেকে গরীব শিশুদের নিজেও উপার্জিত অর্থে প্রতিদিন দুবেলা খাবার খাওয়াচ্ছেন। মালদা শহরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের নবকৃষ্ণপল্লী এলাকার কাজল বাবু থাকেন পেশায় তিনি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তার বিষয় সম্পত্তিও তেমন নয় কিন্তু তিনি এতদিন ধরে যত টাকা উপার্জন করেছেন সেই টাকা থেকে অল্প অল্প করে কিছু অর্থ ব্যয় করে শিশুদের জন্য এই সমস্ত কাজ করে চলেছেন শিশুদের জন্য নয় তিনি বয়স্কদের জন্য চাল ডাল আলু ব্যবস্থা করেছেন যেগুলি তাদের বাড়িতে গিয়ে নিজেও হাতে পৌঁছে দিয়ে এসেছেন

কাজল বাবুর মেনুতে থাকে কষা মাংস, সবজি ডাল , পোনা মাছ , কাতলা মাছ , রুই মাছ । এই সমস্ত খাবারের আয়োজন করেন তিনি প্রতিদিন । প্রতিদিন দুপুরে 80 থেকে 90 টি বাচ্চাকে তিনি খাওয়ান তাও আবার সোশ্যাল ডিসটেন্স মেনে । হয়তো পয়সা করি তার খুবই অল্প কিন্তু তিনি গরীব শিশুদের জন্য যা করছেন তা কল্পনার বাইরে ।।

কথায় বলে , “বসে খেলে রাজার ধনও শেষ হয়”। অবস্থাটা এখন ঠিক সেই জায়গায় পৌঁছেছে কাজলবাবুর। কিন্তু মনোবল এবং কারো জন্য করার ইচ্ছা এই জিনিসটা তার মধ্যে প্রবল তিনি কিছু না ভেবেই করে চলেছেন এই সমস্ত কাজ তার এই কাজের প্রশংসা সবাই করে থাকে তার সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করে তার পাড়ার যুব ছেলেপিলেরা হাতে হাত রেখে সবাই মিলে কাজ করে এবং মঙ্গলবারে থাকে সবার জন্য বিশিষ্ট আহার যেখানে আয়োজন করা হয় ডাল ভাত সবজি চাটনি পাপড় এবং সঙ্গে রসগোল্লা থাকে ।

স্থানীয় বাসিন্দা স্বপন দাস বলেন, কাজল বাবুর এই কাজটিকে আমরা সকলেই সহবাদ জানাচ্ছি তবে এই ধরনের কাজ কাজল বাবু আগেও করেছেন গরিব বাচ্চাদের প্রতি তার যেন টান খুব সে নিজেও ছোটবেলায় প্রচণ্ড পরিশ্রম করে এই জায়গায় পৌঁছেছে তাই হয়তো সে গরীব শিশুদের জন্য কিছু না কিছু করতে চায় রেল লাইনের ধারে থাকা বাচ্চাদের জন্য এইটুকু করে আমরা খুবই গর্ববোধ হচ্ছে আবার কাজল বাবুর থেকে জানা যায় যে তার আছে ছোট ব্যবসা তিনি চার মাস ধরে শিশুদের জন্য এই সমস্ত কাজ করছেন যার ফলে তার সিংহভাগ টাকা বেরিয়ে গিয়েছে তবু তিনি তাদের জন্য এই লক ডাউন ভোর করে যাবে এই কাজ

ইংরেজবাজার পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারপার্সন তথা বিধায়ক নিহার ঘোষ বলেন, কাজল বাবুর নাম এখন বহুৎ শুনি এবং তার এই আজকে আমরা কুর্নিশ জানাই ছোট শিশুদের জন্য তিনি তার সবকিছু উজাড় করে দিয়েছেন তার জন্য আমরা সবাই তার কাছে চির কৃতজ্ঞ হয়ে থাকবো ।। তিনি এ ও জানান যে কাজল বাবুর কোনো সাহায্যের দরকার হলে যেন তার সাথে যোগাযোগ করেন ।।

Advertisement