পান্না (EMRERALD) : জেনে নিন পান্নার প্রাপ্তিস্থান,উপাদান,উপকারিতা সম্পর্কে

পান্না (EMRERALD) : জেনে নিন পান্নার প্রাপ্তিস্থান,উপাদান,উপকারিতা সম্পর্কে
পান্না (EMRERALD) : জেনে নিন পান্নার প্রাপ্তিস্থান,উপাদান,উপকারিতা সম্পর্কে

কলকাতাহান্ট.কম :

  • পান্নার উপাদান – বেরিলিয়াম, এলুমিনিয়াম, সিলিকন ও ক্রোমিক অক্সাইড।
  • আপেক্ষিক গুরুত্ব – ২.৬ – ৩.৮
  • পান্নার বিচ্ছুরণ – ০.০১৪
  • পান্নার কাঠিন্য – ৭-৮ (মোহজ স্কেল )
  • প্রাপ্তিস্থান – ভারতবর্ষের কাশ্মীর ও বিন্ধপর্বত, পাকিস্তান, রাশিয়া, পূর্ব জার্মানি, মিশর, দক্ষিণ আফ্রিকা,
  • ব্রাজিল, কলম্বিয়া ইত্যাদি দেশ।

আরও পড়ুন – বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী দুর্বল সময়ে এক মাত্র ভরসা, নিমেষেই হয়ে উঠবে জীবন সুন্দর

পান্নার উপকারিতা – পান্না ধারণ করলে দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে পান্নাকে হৃদপিন্ড, মস্তিস্ক এবং যকৃৎ প্রভৃতির শক্তিদায়ক বলা হয়েছে। যেসকল ব্যাক্তির জন্মকুণ্ডলীতে বুধের কুদৃষ্টির কারণে রোগব্যাধি হয়, তিনি পান্না আংটিতে বসিয়ে ধারণ করলে রোগ আরোগ্য হয়। স্ত্রী পুরুষের মধ্যে স্থায়ী প্রেম রাখার জন্য পান্না ধারণ আবশ্যিক। স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করতে, লেখাপড়া স্মরণ রাখার জন্য পান্নার ব্যবহার করা হয়। ক্ষতি বা মন্দার মুখে পড়লে পান্না ব্যাবহারে সুফল মেলে।

আরও পড়ুন – কেমন কাটবে মহাসপ্তমীর দিন , জেনে নিন আজকের রাশিফল শুক্রবার ২৩ অক্টোবর ২০২০

পান্নার প্রকৃতি – পান্না বেরিল শ্রেণীর যথেষ্ট কঠিন পাথর এবং এটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ পাথর, ফলে এর উজ্জ্বলতা বা দ্যুতি চমৎকার। পান্না মহার্ঘ রত্নগুলির মধ্যে অন্যতম রত্ন।

বৈশিষ্ট –অতীতে ধন্ন্যাঢ্য ও বিজয়গর্বী রাজাদের নিকট পান্না প্রিয়রত্ন বলে পরিচিত ছিল। এই রত্ন ধারণে জ্ঞানের উদয় হয়, জাতকের ধর্মবোধ জাগিয়ে তোলে এবং দান ধ্যানের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি করে। পূর্বকালে বলা হতো, যে রাজা এই রত্ন ধারণ করেন তাঁর হস্তী, অশ্ব, রথ প্রভৃতি লাভ হয় এবং তাঁর রাজ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি ঘটে। এছাড়া পান্না একটি বুধিকারক রত্ন, শোভনতায় পান্নার তুলনা নেই।