নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশ পেতেই বৃদ্ধি পেল পেট্রোপণ্যের মূল্য, জেনে নিন আজকের দর

নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশ পেতেই বৃদ্ধি পেল পেট্রোপণ্যের মূল্য, জেনে নিন আজকের দর

কলকাতা হান্ট ডেস্কঃ কথায় রয়েছে মানুষের জীবনযাত্রার উপর নির্বাচনের প্রভাব অনেকখানি।তাই যে কোনো রাজনৈতিক দল নির্বাচনে জয়লাভ করার জন্য সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন রকমের প্রতিশ্রুতিতে আবদ্ধ করে। সম্প্রতি বাংলা সহ আরও চার রাজ্যের নির্বাচনের আগে অনেকটা মানুষকে লোভ দেখানোর মতই পেট্রোপণ্যের দাম কমানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু ভোটের ফলাফল প্রকাশ পেতেই আবারো পুরনো হিসেবেই সমস্ত দর ফিরে গিয়েছে। সম্প্রতি দিন দুয়েক আগেই বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে। ইতিমধ্যেই আজ সকালে পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির খবর জনসাধারণের সামনে আসে। করোনা পরিস্থিতিতে একেই দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক।বেশ কয়েকটি জায়গায় লকডাউন এর ফলে আবারও অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ফলস্বরূপ দিন প্রতিদিন বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেসব জায়গায় লকডাউন হয়নি সেসব অঞ্চলেও বিভিন্ন সংগঠনের অবস্থা বিশেষ ভাল নয়। এরইমধ্যে বিভিন্ন দৈনন্দিন জিনিসের পাশাপাশি একলাফে বেড়ে গেল পেট্রোল-ডিজেলের দাম।

আসুন এক ঝলকে আজকের পেট্রোপণ্যের মূল্যের প্রতি চোখ রাখা যাক। আজ পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১৪ পয়সা বেড়ে হয়েছে ৯০ টাকা ৭৬ পয়সা। অন্যদিকে ১৭ পয়সা বেড়ে ডিজেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৮৩ টাকা ৭৮ পয়সা।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকেই প্রতিনিয়ত পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি ঘটে চলেছিল। কিন্তু ভোট শুরুর আগে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে এরপর এই মূল্যে আর কোনরকম বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যায়নি। কিন্তু সম্প্রতি মে মাসের ২ তারিখে ভোটের ফলাফল ঘোষণার পরে এই দাম আবারও বাড়ল। আজ দেশের রাজধানী শহর দিল্লিতে পেট্রোলের দাম ৮০.৯১ টাকা। অপর দুটি মেট্রো শহর মুম্বাই এবং চেন্নাইতে যথাক্রমে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম দাঁড়িয়েছে ৮৯.৮৮ টাকা ও ৮৫.৯০ টাকা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম মোটামুটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই রয়েছে।কিন্তু ভারতীয় বাজারের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা গুলি দাম আরও বাড়াতে পারে বলে জানা গিয়েছে।তবে ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর এই দাম বৃদ্ধি দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে! তবে কি শুধুমাত্র ভোটের কারণেই এই মূল্য হ্রাস ঘটানো হয়েছিল! কিন্তু শুধুমাত্র পেট্রোল—ডিজেল নয় ক্রমাগত বিভিন্ন দৈনন্দিন জিনিসের মূল্য বৃদ্ধি ঘটছে।যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন খাবার দ্রব্য থেকে শুরু করে ওষুধের দাম।বর্তমানে করোনাভাইরাস এর দ্বিতীয় ঢেউ দেশে এমন প্রভাব বিস্তার করে চলেছে যে মানুষের বেঁচে থাকা মুশকিল হয়ে পড়েছে। তার মধ্যে এই মূল্যবৃদ্ধি খুব স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ দেশবাসীকে অসহায় অবস্থার মধ্যে ফেলবে তা স্পষ্ট।কিন্তু এখনো পর্যন্ত কেন্দ্র থেকে শুরু করে রাজ্যের সরকার গুলিকে এই বিষয়ে কোন রকম প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি।