দীর্ঘ পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পরে রবিবার শুরু হল বৈষ্ণোদেবী তীর্থযাত্রা

Advertisement

দীর্ঘ পাঁচ মাস স্থগিত থাকার পরে রবিবার শুরু হল বৈষ্ণোদেবী তীর্থযাত্রা। করোনা আবহের জন্য 18 ই মার্চ থেকে স্থগিত হয় বৈষ্ণোদেবী তীর্থযাত্রা।

মন্দির দর্শন এর ক্ষেত্রে নতুন কিছু নির্দেশিকা তৈরি করেছে প্রশাসন। শ্রী মাতা বৈষ্ণোদেবী শ্রাইনবোর্ডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার রমেশ কুমার শনিবার জানান যে-

প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিন সর্বাধিক 2 হাজার তীর্থযাত্রীরা দর্শনের অনুমতি পাবেন। যার মধ্যে 1,900 জন যাত্রী জম্মু ও কাশ্মীরের এবং বাকি 100 জন যাত্রী বাইরে থেকে আসবেন।

এরপরে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন- “রেজিস্ট্রেশন উইন্ডোতে ভিড় যাতে না হয় তাই শুধুমাত্র অনলাইন এই যাত্রার দরখাস্ত করতে হচ্ছে। যাত্রীদের মোবাইলে ‘আরোগ্য সেতু অ্যাপ’ ডাউনলোড করা বাধ্যতামূলক এবং মাস্কও পড়তে হবে। প্রত্যেকটি প্রবেশপথে শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হবে।”

দীর্ঘ পাঁচ মাস স্থগিত থাকার পরে রবিবার শুরু হল বৈষ্ণোদেবী তীর্থযাত্রা।

তবে 10 বছরের নিচে থাকা বাচ্ছা, গর্ভবতী মহিলা, দীর্ঘদিন ধরে রোগে ভুগতে থাকা মানুষ এবং 60 বছরের উর্ধ্বে থাকা তীর্থযাত্রীদের এই যাত্রায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেই এইসব যাত্রীদের দর্শন করার অনুমতি দেয়া হবে।

জম্মু-কাশ্মীরের বাইরের যাত্রী এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে আসবেন যারা, তাদের করোনা নেই সেটা প্রমাণ করতে হবে। বৈষ্ণোদেবী ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যে‌ যে যাত্রীরা সুস্থ থাকবেন তারাই কেবল মাত্র দর্শনের অনুমতি পাবেন।

দীর্ঘ পাঁচ মাস স্থগিত থাকার পরে রবিবার শুরু হল বৈষ্ণোদেবী তীর্থযাত্রা।

কাটরা থেকে ভাঙ্গা হয়ে বানাঙ্গা , আধকোয়ারি এবং সানজিছাট- এর মতো ঐতিহ্যবাহী রুটগুলো ব্যবহার করা হবে। প্রাথমিকভাবে যাত্রাপথে যাত্রীদের হেঁটেই যেতে হবে।ভিমন থেকে ফিরে আসার জন্য হিমকোটি রূট- তারকোটের পথ ব্যবহার করা হবে। তীর্থ যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য ব্যাটারি চালিত যানবাহন, যাত্রী রোপ ওয়ে এবং হেলিকপ্টার পরিষেবা গুলো রাখা হয়েছে।

বোর্ড দ্বারা নির্ধারিত সামাজিক দূরত্বের নিয়মাবলী এবং অন্যান্য সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে বলে জানান রমেশ কুমার।

Advertisement