Coaching Class At Railway Station: আইএএস, আইআইটি-র পরীক্ষায় সফল হতে পড়ুয়াদের দিন-রাতের ক্লাস সাসারাম রেলস্টেশনে

নিজস্ব প্রতিবেদন: পড়ুয়াদের জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন স্টেশন আছে। এবং স্টেশনের চারিধারে আছে আলোর ব্যাবস্থা। এই পড়ুয়ারা একসাথে বসে পড়াশুনো করে। তারা একে অপরের সাথে নিজেদের নোট শেয়ার করে নেয়। তাদের পড়ানোর জন্য রয়েছে দক্ষ শিক্ষক।বিদ্যাসাগরের মতোই তারা স্টেশনে এসে পড়াশুনো করেন। বাড়িতে আলোর অভাবে এখানে এসে তাদের পড়াশুনো করতে হয়।

তবে বিদ্যাসাগরের থেকে এদের ভাগ্যটা একটু হলেও ভালো। কারণ এই পড়ুয়ারা আলো পান যতক্ষণ না ভয় হয়। অন্য আরো ছাত্রদের সাথে একসঙ্গে বসে আলোচনা করে পড়ার সুযোগ হয় তাদের। তার সাথে থাকে দক্ষ শিক্ষক যারা তাদের এসে পরিয়ে দিয়ে যান। সাসারাম রেলস্টেশনের আসা পড়ুয়ারা প্রায় সকলেই প্রায় ১৯ কিলোমিটার দূরে রোহতাসের কয়েকটি গ্রাম পড়তে আসেন। তাদের মধ্যে কেও পেয়ে হেঁটে আবার কেও সাইকেল চালিয়ে এখানে পড়তে আসেন। কারণ ওই গ্রামে রাতে আলো থাকে না। সাথে ভয় থাকে সন্ত্রাসের।

তারা এক নিশ্চিন্ত জীবন যাপন করতে চান। তাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো একটা সরকারি চাকরি পাওয়া। তারা প্রস্তুতি নেয় সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার জন্য। তারা প্রস্তুতি নেয়, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট -এর নানা পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়। ওই স্টেশন এর যাত্রীরাও তাদের কোনো ডিস্টার্ব করে না।

তারা কেবল লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি নয় সাথে নানা ধরনের ইন্টারভিউ এর প্রস্তুতি নিতে থাকে। পড়ুয়াদের মধ্যে অনেকেই পরীক্ষায় পাস করেছেন। তাদের ক্লাস চলে রোজ সকালে ও সন্ধ্যায় ২ ঘণ্টা করে। ওই প্লাটফর্মে নানা বিষয়ের শিক্ষা দেওয়া হয়।ওই স্টেশনের পড়ুয়াদের আলাদা পরিচয় তৈরি করা আছে। কারণ তাদের যাতে কোনো সমস্যা না হয়। রাতে পড়ার পর হেঁটে বা সাইকেল করে তাদের বাড়ি ফিরতে হয়।

রোহতাসের মতো আরো অনেক গ্রাম আছে যেখানে এখনও বিদ্যুতের আলো পৌঁছতে পারেনি। যার কারণে সেই সব গ্রামের অনেক মেধাবী ছাত্র ছাত্রীরা সুযোগ না থাকার কারণে অনেক কাজ থাকে বঞ্চিত হয়। তাছাড়াও এখনও অনেক গ্রামে সন্ত্রাসের ভয় এখনও কাটেনি।।

আরও পড়ুন

Back to top button