ছোট শিশুদের জ্বর বা সর্দি-কাশি হওয়ার পর এই 3 টি লক্ষণ দেখলেই যোগাযোগ করুন ডাক্তারের সঙ্গে! অবহেলা করলেই বিপদ! জানুন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :-মহামারীর প্রথম এবং দ্বিতীয় ঢেউ এর পাশাপাশি পুজোর প্রাক্কালে শুরু হয়েছে এক অজানা জ্বর । এবং এই অজানা জ্বর প্রথম আক্রমণ করছে একদম ছোট শিশুদেরকে । যার ফলে চিন্তিত হয়ে পড়েছে চিকিৎসক মহল থেকে শুরু করে অভিভাবকরা । একাধিক জেলা হাসপাতালগুলিতে ক্রমশ বেড়েই চলেছে এই সমস্ত শিশুর সংখ্যা । অভিভাবকরা বুঝতে পারছে না যে এটি ভাইরাল ফিভার নাকি মারাত্মক প্রাণঘাতি কোন ভাইরাসের আক্রমণ ।। কি কি লক্ষণ দেখা দিলে আপনি আপনার বাচ্চাকে বিন্দুমাত্র বাড়িতে ফেলে রাখবেন না তা জানাবো আজকের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে ।।

করোনা মহামারীর কবলে পড়ে রীতিমতো দিশেহারা হয়ে গেছে গোটা দেশ তথা পৃথিবী । প্রথমবারের মতন যখন এর প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল তখন তড়িঘড়ি করে ব্যবস্থা নিয়েছিলো চিকিৎসক মহল । কিন্তু কোন রকম ভাবে আটকানো সম্ভব হয়নি এই মহামারী কে । যার ফলে প্রথম ঢেউ এর পরিবর্তে এসেছিল দ্বিতীয় ঢেউ । আমরা জানি যে দ্বিতীয় ঠিক কতটা ভয়ঙ্কর হয়েছিল । উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলাতে বিপুল হারে দেখা যাচ্ছে এই অজানা জ্বরের রোগীর সংখ্যা ।

তেমন কোনো প্রাদুর্ভাব না দেখা দিল বীভৎস পরিমাণে জ্বর আসছে । তার সাথে সাথে পেটে ব্যথা বমি এবং পাতলা পায়খানা উপসর্গ নিয়ে প্রতিনিয়ত ভর্তি হচ্ছে একাধিক শিশু এবং যত সময় যাচ্ছে ততই বাড়ছে তার সংখ্যা । এব্যাপারে চিকিৎসকেরা চিন্তিত ।তার সাথে সাথে চিন্তিত বাড়ির মা-বাবারা। কি করবেন এই মুহূর্তে এবং কি করবেন না তার একটা রূপরেখা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা ।

আপনার বাচ্চা যদি এখনও পর্যন্ত মাতৃস্তন্য দুগ্ধ পান করে তার বিশেষভাবে নজর রাখতে হবে বাচ্চার দিকে । যদি মায়ের কোন কারনে সর্দি হয় তাহলে বাচ্চার থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা । অতি অবশ্যই মায়ের দুধ খাওয়াতে পারেন । কারণ দুধের মাধ্যমে কোন ভাইরাস ছড়ায় না । যদি একান্তই বাধ্য হয়ে ছেলের কাছে সন্তানের কাছে যেতে হয় তাহলে অতি অবশ্যই দুটি মাস্ক ব্যবহার করবেন । সব সময় স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে তবেই শিশুকে স্পর্শ করবেন । যদি দেখেন যে খাবার দাবার প্রস্রাব আগের তুলনায় ৫০% হ্রাস পেয়ে যাচ্ছে দ্রুত পরিমাণে তাহলে বিন্দুমাত্র দেরি না করে সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন হলে ভর্তি করুন হাসপাতালে ।। ।।

আরও পড়ুন

Back to top button