আজকে থেকেও সকলের একাউন্টে ঢুকছে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের টাকা! না পেলে কি করবেন? রইল বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- ইতিমধ্যে প্রথম পর্যায় লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে জেলাশাসক দের হাতে ।আমরা জানি যে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের জন্য রাজ্যের প্রায় দেড় কোটির বেশি মহিলারা আবেদন করেছেন। এমনটা বলা হয়েছিল যে যে সমস্ত মহিলাদের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড রয়েছে তারা একমাত্র আবেদন করতে পারবে এবং হিসেব অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে এ স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর পরিমাণ সংখ্যা হচ্ছে প্রায় দুই কোটি কাছাকাছি।

তার মধ্যে দেড় কোটি লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের জন্য ইতিমধ্যে আবেদন করে ফেলেছে। দুয়ারে সরকার এর প্রথম দিনে দশ লক্ষ মহিলা রাজ্যজুড়ে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প আবেদন করেছিলেন এমনটা জানা যাচ্ছে সূত্র মারফত। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুদিন আগেই জানিয়েছিলেন যে প্রথম পর্যায়ে যাচাই পর্ব শেষ হয়ে গিয়েছে এবং তাদের জন্য টাকা বরাদ্দ করা হয়ে গেছে সেই টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন জেলাশাসক দের হাতে ।

এবং সঠিকভাবে বন্টন করার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন থেকে। পুজোর আগে যাতে রাজ্যের মহিলা রাশি টাকা পেয়ে যান এবং সেই টাকা দিয়ে তারা যাতে পুজো উপভোগ করতে পারে তার জন্য প্রশাসনিক দপ্তর কে দ্রুত কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও এত তাড়াতাড়ি হয়তো সমস্ত কিছু করা সম্ভব নয়।কিন্তু এখন অব্দি প্রায় কুড়ি লক্ষের বেশি মহিলার একাউন্টে তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে টাকা প্রবেশ করে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

প্রথম পর্যায়ের মোট বরাদ্দ ২ কোটি ৪৮ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার মধ্যে সবথেকে বেশি পরিমান পাঠানো হয়েছে দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলায়।লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের জন্য এই জেলায় মোট বরাদ্দ হয়েছে ২৯ লক্ষ ৮১ হাজার টাকা।এর পরবর্তী স্থানেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা, এই জেলায় বরাদ্দের পরিমান ২৫ লক্ষ ৯৬ হাজার টাকা।এরপরে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে পূ্র্ব মেদিনীপুর ও মুর্শিদাবাদ জেলা। এই দুই জেলায় মোট বরাদ্দের পরিমান যথাক্রমে ১৯ লক্ষ ৮৭ হাজার ও ১৭ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা।এছাড়াও বাকি জেলাগুলির জন্যও টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে নবান্নের তরফ থেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button