খুশকির সমস্যা এড়াতে কি কি করণীয় জেনে নিন

নিজস্ব প্রতিবেদন: উৎসবের আমেজ এসেই গেছে। আর উৎসব মানেই রঙিন জামা কাপড়। কিন্তু রঙিন কাপড়ে যদি খুসকি ভর্তি থাকে তাহলে সেটা একেবারেই ভালো দেখায় না।

ত্বক বিশেষজ্ঞ পিয়ালি চট্টোপাধ্যায় বলেন এই ভ্যাপসা গরমে এমনিতেই চুলের গোড়া ঘেমে ওঠে। এর সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই মাথায় তেল মাখেন আর সপ্তাহে ১/২ দিন শ্যাম্পু করেন। এর ফলে মাথায় ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। অনেকেই খুসকি কমাতে মাথায় গরম তেল মাখেন যাতে খুশকি কমে। তবে এতে বিপরীতটাই হয় বৈকি।

এছাড়া আরো বলেন যে স্নান করা এক ঘন্টা আগে তেল মেখে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন বাড়িয়ে দিন শ্যাম্পু করে স্ক্যাল্পে কে পরিষ্কার রাখতে হবে না হলে খুশকি দেখা দিতে পারে অবশ্য এই খুশকি ত্বকের সমস্যা।

নিয়মিত মাথার স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখলেই খুশকি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে খুশকির মাত্রা বেড়ে গেলে তখন ত্বকের ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞরা। কমবয়সী ছেলে মেয়েদের শরীরে বিভিন্ন হরমনাল পরিবর্তন আসার জন্য মাথায় খুশকি এবং মুখের ব্রণ ও দেখা যায়। যদিও এটি একটি ছোঁয়াচে নয় তবে অন্যের ব্যবহৃত চিরুনি তোয়ালে না ব্যবহার করাই ভালো।

সামনে আসছে পুজো আর পুজোতে একুশকে হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। বিশেষজ্ঞরা বলেন যে,মূলত অ্যান্টিফাঙ্গাল শ্যাম্পু দিয়ে খুসকির থেকে রেহাই পাওয়া যায়। তবে বাজারে যেসব অ্যান্টি-ড্র্যানড্রাফ শ্যাম্পুগুলিতে সালফার ও জিঙ্ক দেওয়া থাকে। যা খুশকি হয়তো দূর করবে তবে আমাদের চুলের জন্য অনেকটা ক্ষতিকর।ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শে নিয়ে অ্যান্টিফাঙ্গাল শ্যাম্পু ব্যবহার করাই শ্রেয় ।

অনেক সময় মাথার শুকনা ঝাল কে আমরা খুশকি ভেবে থাকি। সে ক্ষেত্রে স্নানের এক ঘন্টা আগে ভালো করে তেল মেখে ভালো করে ধুয়ে নিলেই এই শুকনো ত্বক এর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আর অবশ্যই বাজারে বিক্রি হওয়া কোন এন্টিড্যান্ড্রাফ শ্যাম্পু ইউজ করার আগে আপনার ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নেয়া আবশ্যক।

আরও পড়ুন

Back to top button