পোস্ট অফিস নিয়ে এলো নতুন ‘পয়সা ডবল’ পলিসি! একবার বিনিয়োগ করলেই দ্বিগুন হবে টাকা! জানুন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- মানুষের সুবিধার্থে একাধিকবার সরকার একাধিক প্রকল্প সূচনা করেছে । কখনো কখনো আবার সে প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে যে সমস্ত লাভজনক প্রকল্প গুলি রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো কিষান বিকাশ প্রকল্প যদিও মাঝখানে এই প্রকল্প বন্ধ করে দিয়েছিল ভারত সরকার। কারণ এমনটা মনে করা হচ্ছিল যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে কালো টাকা পাচার হতে পারে অবিলম্বে।

এবং পরবর্তী ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিধিনিষেধ নিয়ে নতুনভাবে চালু হয়েছে এই প্রকল্প। এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে ১০ বছর ৪ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ দ্বিগুণ হয়ে যাবে। প্রথমত জানিয়ে রাখি পোস্ট অফিস ছাড়াও ব্যাংকের মাধ্যমে আপনারা এই বিনিয়োগ করতে পারেন। তবে সবার প্রথমে জেনে রাখা প্রয়োজন এই প্রকল্প সম্পর্কে। ১৯৮৮ সালে ভারতীয় ডাক বিভাগ এই প্রকল্প সকলের সামনে নিয়ে আসে।কিন্তু এর বেশ কয়েক বছর পর ২০১১ সালে এই প্রকল্পটি আচমকাই বন্ধ করে দেওয়া হয়।

যদিও পরবর্তীতে তা আবারও চালু করা হয়েছে। এই যোজনার সাহায্যে সঞ্চিত অর্থ, দ্বিগুণ হতে ১০ বছর ৪ মাস মাস সময় লাগে। তবে এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু ডকুমেন্ট অবশ্যই থাকা প্রয়োজন। এই প্রকল্পে নতুনভাবে জানানো হয়েছে যে আমানতকারীরা ৫০ হাজার টাকা বা তার বেশি বিনিয়োগ করলে সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়বে প্যান কার্ডের ।।বয়স অবশ্যই ১৮ বছরের উর্ধ্বে হতে হবে।

১০ বছরের উর্ধ্বে বা মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি ও কিন্তু এই প্রকল্পে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন । এক লাখ টাকার উপরে বিনিয়োগ করলে তার আই এর প্রমান পত্র দেখাতে হবে । তার পাশাপাশি একাউন্ট ট্রান্সফারের সুবিধা রয়েছে এই প্রকল্পের আওতায়। এমনটা জানানো হচ্ছে যে হঠাৎ করে আমানতকারীর মৃত্যু হলে সেই অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার হয়ে যাবে তার নমিনির কাছে ।দ্বিতীয়তঃ জানানো হচ্ছে আদালত নির্দেশ দিলেই অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার করা হবে।

মূলত প্রথম যখন এটি লঞ্চ করা হয়েছিল তখন সেটি কৃষকদের উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। যাতে তারা লম্বা সময় ধরে ইনভেস্ট করতে পারে । তবে শর্ত সাপেক্ষে বলা হয়েছে ন্যূনতম ১০০০ টাকা আপনাকে ইনভেস্ট করতে হবে এবং কত টাকা সর্বোচ্চ ইনভেস্ট করতে পারবেন তা কোন লিমিট এরা দেয়নি এবং সরকারের পক্ষ থেকে আপনি ১০০০ টাকা ২০০০ টাকা ৩০০০ টাকা ৪০০০ টাকা ১০০০০ টাকা এমনকি ৫০০০০ টাকার এক টি সার্টিফিকেট পেতে পারেন যেখানে সরকারের গ্যারান্টার হিসেবে কাজ করবে।

কিষাণ বিকাশ পত্র দেশের সমস্ত ডাকঘর ও ব্যাঙ্কে পাওয়া যায় ৷ এর ম্যাচাউরিটি পিরিয়ড এখন ১২৪ মাস ৷ য২০২১ সালে প্রথম ত্রৈমাসিকে KVP-তে ৬.৯ শতাংশ সুদ দেওয়া হয়েছে ৷ এখানে ১২৪ মাসে আপনার ইনভেস্টমেন্ট ডবল হয়ে যাবে ৷ এখানে এককালীন ৫ লক্ষ টাকা ইনভেস্ট করলে ম্যাচিউরিটিতে পেয়ে যাবেন ১০ লক্ষ টাকা ৷ কেভিপি-তে একজন ব্যক্তি বা অধিকতম তিনজন ব্যক্তির নামে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা যেতে পারে ৷ পোস্ট অফিসে দিয়ে সমস্ত ডকুমেন্ট জমা দিয়ে আপনি সিঙ্গল বা জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button