দমবার পাত্রী নন ‘মিঠাই’, পায়ে চোট নিয়েই দিব্যি নাচলেন সৌমিতৃষা

বাংলা টিভিপর্দার তারকাদের ওপর কি তাহলে শনির নজর পরলো নাকি? নিশ্চয়ই ভাবছেন এমন কথা বলার অর্থ কি আর কারণ কি? আসলে বেশ কয়েকদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে একের পর এক তারকা পায়ে চোট পাচ্ছেন। প্রথমে অঙ্কুশ হাজরা, ঋতাভরী চক্রবর্তী, আর এখন কিনা মিঠাই? দর্শকদের মন খারাপের পাল্লা যেন বেড়েই চলছে দিনকে দিন। এমনিতেই মিঠাই বেশ প্রাণোচ্ছল মেমে। শেষ অব্দি হলে তারও কিনা পায়ের চোট লাগলো।

বর্তমানে টি আর পি-এর দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে মিঠাই ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি চরিত্র এমন নিঁখুত অভিনয় করে যে, কাকে বাদ দিয়ে কার প্রশংসা করবেন দর্শকরা তাই নিয়েই চিন্তায় পরে যান। তবে এই ধারাবাহিকে দর্শকদের সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র হলো মিঠাই। গল্পে সে সাধারণ পরিবারের গ্রাম্য মেয়ে, মিষ্টি বানানো এবং বিক্রি করাই তাঁর পেশা। নিজের বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে ভাগ্য ফেরাতে পাকাপাকিভাবে চলে আসে কলকাতায়, আশ্রয় নেয় মোদক বাড়িতে। এই মোদক বাড়ির ছেলে সিদ্ধার্থ পরিস্থিতির শিকার হয়ে বিয়ে করতে বাধ্য হয় মিঠাইকে। দুজনে একেবারে দুই আলাদা জগতের মানুষ। তবে ধীরে ধীরে অনেক উঠানামা পেরিয়ে তারা দুজন একে অপরের কাছে আসতে শুরু করেছে, জমে উঠেছে তাদের প্রেম।

মিঠাই ধারাবাহিকে মোদক বাড়ির সবচেয়ে হাসিখুশি বৌমা মিঠাই পায়ে চোট পেয়েছে। মিঠাই অর্থাৎ সৌমিতৃষা নিজেই ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করে এই খবর জানিয়েছেন। পোষ্ট করা ভিডিওটিতে দেখা গেছে তার পায়ের অ্যাঙ্কেল ক্রেপ বাঁধা রয়েছে ব্যান্ডেজ দিয়ে। সঙ্গে বাড়তি প্রোটেকশনের জন্য রয়েছে নি-ক্যাপ পরা। তবে ভিডিওটি থেকেই জানা যায় মিঠাই নাকি তার পায়ে ব্যাথা নিয়ে নাচও করেছিলেন। কেমন দস্যি মেয়ে ভাবুন দেখি!

আসলে মহালয়ার অনুষ্ঠানের রিহার্সালের সময়ে আচমকা পড়ে গিয়েছিলেন সৌমিতৃষা। তখন পা ঘুরে গিয়ে পুরো শরীরের ভার পড়ে পায়ের পাতার উপর। ফলে পায়ে ভীষণ চোট পান তিনি। সঙ্গে সঙ্গে ফুলে যায় সৌমিতৃষার পায়ের পাতা। এরপর চিকিৎসকের কাছে গিয়ে এক্স-রে করলে জানা যায়, লিগামেন্টে চাপ পড়ে ফুলে গিয়েছে পা। তবে শুধু পা ফুলেই যায়নি, এর সাথে এই ব্যথাও শুরু হয়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে পায়ে অ্যাঙ্কলেট পরতে হয়েছিল। চিকিৎসক তাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দেন। এমনকি শুটিং ইউনিট থেকেও তাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার কথা জানান। তবে সৌমিতৃষা সেইসব কথা শোনেননি। এই পায়ে ব্যাথা নিয়ে তিনি মহালয়ার অনুষ্ঠান যেমন করেছেন, তেমনই শুটিংও করেছেন। এর আগেও জ্বর নিয়ে শুটিং করেছিলেন তিনি। নিজের কাজের প্রতি প্রবল ভালোবাসা থাকলেই এমনটা করা যায়। তবে শরীরের যত্ন নেওয়াটাও উচিত একইসাথে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button