নর্দমার ধার থেকে সদ্যোজাত শিশু কন্যাকে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে গিয়েছিলেন এই পুলিশ অফিসার

কলকাতা হান্ট ডেস্কঃ আমাদের ভারতের প্রকৃত সৈনিক আর পুলিশরা। তারা নিজেদের জীবনকে বাজি রেখে আমাদের সু’রক্ষা দিতে চলেন দিন-রাত। কখনো কখনো তাদের জীবনহানি করার খবরও পাই আমরা। তবুও জীবন বাজি রেখে রক্ষা করে চলছেন ভারতমাতাকে। তারা কখনো দুর্গম অরণ্যে থেকে আবার কখনো মরুভূমিতে, কখনো জঙ্গলের দুর্গম অঞ্চলে থেকে তাদের ডিউটি করে চলেন। কোন বিশ্রাম না নিয়েই শুধু ভারত মায়ের নামে ল’ড়াই করে যান তারা। শুধু তাই নয় তাদের বিভিন্ন সময় মানুষের বিপদে পাশে থাকতেও দেখা যায়।

আরও খবরঃ- ভিক্ষা করে আয় ২ কোটি! বড় বড় কর্পারেট সংস্থার কর্মীদের লজ্জায় ফেলবে এই ভিখারি

এবারে এক পুলিশ রক্ষা করলেন এক সদ্যজাত কন্যার প্রাণ। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশে। এই উত্তরপ্রদেশের বাদাউন শহরে একটি ড্রেনের মধ্যে এক একজন নবজাতক কন্যাকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। এরপর এই খবরটি কোনোভাবে পুলিশের কাছে পৌঁছায়। বাদাউন থানার ঋষি পাল বিষয়টি জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এবং তৎক্ষণাৎ সেই নর্দমা থেকে সদ্যজাত মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। এরপরে নবজাতক কন্যাটিকে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান।

আরও খবরঃ- হিন্দু মন্দিরে কেন ঝোলানো থাকে ঘন্টা! কারণ জানলে চমকে যাবেন

বাদাউন পুলিশ সূত্রে সম্পূর্ণ ঘটনাটি তাদের অফিসিয়াল টুইটার একাউন্টে পোস্ট করা হয়। সেখানে লেখা হয়েছে -“ঋষি পাল একটি ড্রেনে পড়ে থাকা অজানা নবজাতক শিশুটির সংবাদ পেয়ে দেরি না করেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান, শিশুটি এখন বি’পদ মুক্ত।”

আরও খবরঃ- চুপিসারে প্রেম করছেন ‘মিঠাই’ ধারাবাহিকের সোম-তোর্সা! পরিণতি পাবে সম্পর্ক, উদ্বিগ্ন অনুরাগীরা

এই খবরটি স্যোশাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে গেছে। এই পৃথিবীতে এমন মানুষও রয়েছেন, যারা একটি শিশু কন্যাকে ফেলে দিয়ে যেতে পারেন ড্রেনের ধারে। আসলে এই সমাজ বাইরে থেকে যতোই এগিয়ে যাক না কেন। ভিতরে এখন জং ধরা রয়েছে। তাই এখনও সমাজে নারী সন্তানকে অবজ্ঞা করা হয়। তাই তো অবহেলিত সদ্যজাতের স্হান হয় ড্রেনে। তেমনই এই পৃথিবীতে ঋষি পালের মতো পুলিশ অফিসাররাও রয়েছেন, যারা দায়িত্ব নিয়ে বাঁচিয়ে তোলেন নতুন প্রাণ। নেটিজনরা কেউ ঋষি পালকে “সালাম সার” লিখেছেন আবার কেউ কেউ “আপনি ভগবান”, “ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন”, “ঋষি পাল, আপনার মতো লোকের কারণে মানবতা আজ বেঁচে আছে। জয় হিন্দ” এমন ধরনের কমেন্টও করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button