ভিক্ষা করে আয় ২ কোটি! বড় বড় কর্পারেট সংস্থার কর্মীদের লজ্জায় ফেলবে এই ভিখারি

কলকাতা হান্ট ডেস্কঃ ভিক্ষাবৃত্তির সাথে যুক্ত যেসব মানুষ রয়েছেন, তাদের সাধারণত কষ্টেসৃষ্টে সংসার চলে যায়। তাদের নুন আনতে পান্তা ফুরায়। তিনবেলা তো দূরের কথা, এক বেলার খাবার জোটাতেও তাদের হিমশিম অবস্থা হয়। আসলে ভিক্ষাবৃত্তি মানে অপর নির্ভরশীলতা। অপর ব্যক্তি কখন দুটো অর্থ দেবেন তার ওপর নির্ভর করে ভিখারিদের জীবন চলে। ভিক্ষাবৃত্তির সাথে যুক্ত মানুষেরা অপেক্ষায় থাকেন কখন কেউ খাবার দেবেন কিংবা কিছু টাকা দেবেন। আর অতিরিক্ত রোদ-বৃষ্টি দেখা দিলে ভিক্ষা না পাওয়ার কারণে তাদের নাওয়া-খাওয়াই বন্ধ হয়ে যায়।

লেটেস্ট খবরঃ- চুপিসারে প্রেম করছেন ‘মিঠাই’ ধারাবাহিকের সোম-তোর্সা! পরিণতি পাবে সম্পর্ক, উদ্বিগ্ন অনুরাগীরা
the richest beggar in india bharat jain a
the richest beggar in india bharat jain a

ভারতবর্ষে প্রচুর মানুষ ভিক্ষাবৃত্তির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ভারতবর্ষে যেহেতু প্রচুর মানুষ দরিদ্রসীমার নিচে বাস করেন। তাই প্রচুর মানুষকে ভিক্ষাবৃত্তির দ্বারা অন্ন সংস্হানের পথ বেছে নিতে হয়। কেউ হয়তো কোনো কাজ না পেয়ে কিংবা কাজ হারিয়ে শুধু দুবেলা-দুমুঠো খাওয়ার আশায় ভিক্ষাবৃত্তির সাথে যুক্ত হন। আমাদের এই রাজ্যেও ভিক্ষুকদের সংখা যথেষ্ট বেশি। বেকারত্ব, দারিদ্রতা এইসবের চাপে পড়ে বহু মানুষকে ভিক্ষাবৃত্তির পথ বেছে নিতে হয়। আর এইসব মানুষদের এক বেলার ভাত জোগাড় করতেই হিমশিম খেতে হয়।

লেটেস্ট খবরঃ- পড়তে বসে কেঁদে ফেলল ছোট্ট ভুতু, দেখুন ভিডিও
the richest beggar in india bharat jain b
the richest beggar in india bharat jain b

তবে এমন অনেক ভিখারী রয়েছেন, যাদের আয় সরকারী ও বেসরকারী কর্মচারীদের থেকেও অনেক বেশি।তেমনই একজন ধনী ভিখারী হলেন ভরত জৈন। একটি সর্বভারতীয় রিপোর্ট অনুযায়ী ‘ভরত‌ ই দেশের সবচেয়ে ধনী ভিখারী’ তিনি। ভারতের মুম্বাইয়ের প্যারেল এলাকায় ভিক্ষা করেন তিনি। ভরত জৈনের বয়স ৪৯ বছর। বর্তমানে তার মাসিক আয় ৭৫ হাজারের‌ও বেশি। আবার একটি দোকান ঘরও রয়েছে, যেটি ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে পান তিনি। এনার নিজস্ব দুটো অ্যাপার্টমেন্ট আছে, যার মধ্যে একটির বাজার মূল্য ৭০ লক্ষ টাকা। তার পরিবারে রয়েছেন তার মা, বাবা, বোন। এদের সবার বিলাসবহুল জীবন। বর্তমানে তিনি প্রায় ২ কোটি টাকার মালিক।

লেটেস্ট খবরঃ- হলুদ পোশাকে স্পষ্ট নিতম্ব-বক্ষযুগল, শিল্পা শেট্টির হটনেসে ঘায়েল নেটজনতা

আবার সমগ্র কলকাতা জুড়ে প্রচুর মানুষ ভিক্ষাবৃত্তির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাদের অনেকেরই অবস্হা ভীষণ স্বচ্ছল। তেমনি এক স্বচ্ছল অবস্থার ভিখারী হলেন লক্ষ্মী দাস‌। ১৯৬৪ সাল থেকে যখন তার বয়স ১৬ বছর, তখন থেকেই তিনি ভিক্ষা করেন। বর্তমানে লক্ষ্মী দাসের মাসিক আয় ৩০ হাজার টাকা। শুধু তাই নয় ব্যাঙ্কেও জমানো রয়েছে বিপুল পরিমাণ অর্থ।

আরও পড়ুন

Back to top button