কি এই ‘নীল আধার কার্ড’? কারা কারা পাবেন এই নতুন পরিচয়পত্র? জানুন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- প্রত্যেক ভারতবাসী জন্য একটি নির্দিষ্ট ডকুমেন্ট বা নথিপত্র রয়েছে যে নথিপত্র কে আমরা আধার কার্ড নামে চিনি স্কুল-কলেজ বিমানবন্দর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে যেকোন জায়গায় এই আধার কার্ডের প্রয়োজন পড়ে কিন্তু আমরা সাধারণত আধার কার্ডে যে সমস্ত তথ্য পেয়ে থাকি একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের বা যুবক-যুবতীদের সেই সমস্ত তথ্য কিন্তু আমরা এক নিমিষে পাইনা সদ্যজাত সন্তানের।

এবার সেই সদ্যোজাত সন্তানকে এবং ৫ বছরের উর্ধ্বে সন্তানকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে বাল আধার কার্ডের ঘোষণা করা হয়েছে । কি এই আধার কার্ড এবং কিভাবে মিলবে এর সুবিধা তা বিস্তারিত জানব আমরা আজকের এ প্রতিবেদনের মাধ্যমে।

এর পাশাপাশি ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে বার্থ সার্টিফিকেট অব্দি লাগবে না এই আধার কার্ড তৈরি করার ক্ষেত্রে যাতে কোনো রকম কোনো অসুবিধা না হয় তাই এই সহজ পদ্ধতি তারা অবলম্বন করেছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই নীল আধার কার্ড তৈরি করতে গেলে বিশেষ কোনো খাটুনি বা পরিশ্রম করতে হবে না অভিভাবকদেরকে। ( UIDAI )

হাসপাতাল থেকে ডিসচার্জ করার সার্টিফিকেট এবং তার সাথে বাবা-মায়ের আধার কার্ডের পরিচয় পত্র দিলেই তৈরি হয়ে যাবে শিশুর জন্য আধার কার্ড এবং এটি সাধারণত নীল রংয়ের হবে। বাল আধার কার্ড বলা হচ্ছে যে যে সমস্ত সদ্যজাত সন্তানের বয়স পাঁচ বছরের নিচে তারা তাদের পরিচয় পত্র হিসেবে এই আধার কার্ড তৈরি করে রাখতে পারবে। এই বাল আধার কার্ড বা নীল আধার কার্ডের মাধ্যমে শিশুরা কী কী সুবিধা পাবে তা নিম্নরুপ।

১) বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্কুল বিমানবন্দর রেলওয়ে টিকিট হোটেল বুকিং ইত্যাদি ক্ষেত্রে যে পরিচয় পত্রের দরকার পড়ে সেই পরিচয় পত্র হিসেবে তারা এই আধার কার্ড দেখাতে পারে।

২) স্কুলে যে সমস্ত মিড ডে মিলের প্রকল্প শুরু হয়েছে সেই সুবিধা পাওয়ার জন্য এই আধার কার্ড থাকা বাঞ্ছনীয়।

৩) তার পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পগুলি তে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য এই এই কার্ড থাকা অতি অবশ্যই দরকার।

এটি তৈরি করতে পারবেন আপনি আপনার নিকটবর্তী আধার এনরোলমেন্ট সেন্টার এ গিয়ে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। সরকারের তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে এই আধার কার্ডে শিশুর কোন আঙ্গুলের ছাপ বা চোখের প্রিন্ট অর্থাৎ আইরিস নেওয়া হবে না। শুধুমাত্র ছবি তুলে আধার কার্ড পেরন করা হবে এবং পাঁচ বছর ও ১৫ বছরে এই বায়োমেট্রিক আপডেট করতে হবে। কিন্তু তার আগে কোনো আপডেটের প্রয়োজন নেই। এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে আগামী দিনে গোটা দেশের মানুষ সেটা সদ্যজাত সন্তান হতে পারে বা ৮০ বছরের বৃদ্ধ হতে পারে সবাইকে এক তালিকায় আনা যেতে পারে বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button