মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী, স্ত্রী শুভশ্রীকে সঙ্গে নিয়ে ভোটের প্রচার সারলেন পরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদন:- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকায় তারকাদের প্রভাব যে বেশ উজ্জ্বল তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।কিন্তু হঠাৎ করেই তারকাদের এই রাজনীতিতে যোগ দানের যদিও বিশেষ কোন কারণ জানা যায়নি।তবে টলিউডের রুপালি রং ধীরে ধীরে সবুজ বা গেরুয়া হয়ে গিয়েছে তা চোখে পড়েছে রাজনৈতিক মহলের। তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী, সায়নী ঘোষ, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, সোহম চক্রবর্তী, অদিতি মুন্সি, কৌশানী মুখোপাধ্যায়, কাঞ্চন মল্লিক সহ আরো অনেকে। ঠিক অপরদিকে তেমনি বিজেপির প্রার্থী তালিকায় লক্ষ্য করা গিয়েছে হিরণ চট্টোপাধ্যায়,শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, পায়েল সরকার, তনুশ্রী চক্রবর্তীর মতো তারকাদের।বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই গ্ল্যামার জগতের শীর্ষে থাকা ব্যক্তিদের। এর মধ্যে সবার প্রথমে নেওয়া যায় পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর নাম। গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা আসন ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ টানা মূল্যবৃদ্ধির পর আগামিকাল থেকে কমতে চলেছে ভর্তুকিযুক্ত রান্নার সিলিন্ডারের দাম

সম্প্রতি দ্বিতীয় দফার ভোট এর আগে আজ স্ত্রী শুভশ্রীকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে অগ্রসর হয়েছিলেন রাজ চক্রবর্তী। এদিন বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে খড়দার শ্যামসুন্দর মন্দিরে পুজো দেন টলিউডের এই বিখ্যাত রাজশ্রী জুটি।এরপর বিশাল শোভাযাত্রার মাধ্যমে সমস্ত রকমের ভাইরাসের সতর্কতা বিধি মেনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পথে পা বাড়ান পরিচালক।শুধুমাত্র রাজ নয় তার পাশে বেশ আত্মবিশ্বাসের সাথে দেখা যায় আজ স্ত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলীকে।মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন রাজের পরনে ছিল সাদা রঙের কুর্তা অপরদিকে স্ত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলীকে দেখা যায় হলুদ রঙা শাড়িতে। প্রসঙ্গত সব সময়তেই যেকোনো পরিস্থিতিতে রাজের পাশে দেখা গিয়েছে শুভশ্রীকে। তাই আজকের এই বিশেষ দিনেও সেই ঘটনার কোনো ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায়নি।

আরও পড়ুনঃ নতুন অর্থবর্ষে যাত্রীদের জন্য নয়া নিয়ম জারি করল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ

শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে শুভশ্রী জানান,”আমার এখানে আসবার খুব ইচ্ছে ছিল। আজকের দিনটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। রাজ এখানে এত ভালোবাসা পাচ্ছে। ওর কাছ থেকে নিত্যনতুন অভিজ্ঞতা শুনে খুব ভালো লাগছে। অবশ্যই শুরু থেকেই ওর রাজনৈতিক মতাদর্শ ছিল। গত ১০ বছরে এখানকার উন্নতি কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে সেই নিয়ে আমার সঙ্গে ওর আলোচনা হয়েছে। রাজের নামে দেওয়াল লিখন দেখে খুব গর্ব অনুভব করলাম”।মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে অপরদিকে রাজ চক্রবর্তী বলেছেন,”প্রথমে ভেবেছিলাম বড় চ্যালেঞ্জ….মাঠে নেমে দেখলাম প্রতিপক্ষ কেউ নেই। এখানে চ্যালেঞ্জ নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিকল্প মুখ্যমন্ত্রী কেউ নেই, সেটা বাংলার মানুষ ভালোভাবে জানে”।