দৈনন্দিন জীবনে চলার পথে এই চারটি জিনিস কখনো কারো সাথে শেয়ার করবেন না।

dont say this things to anyone
dont say this things to anyone
Advertisement

আমাদের জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ কিছু নিয়ম নীতি অনুযায়ী ফেলা উচিত। জীবনে চলার পথে কিছু নিয়ম মেনে না চললে মুখ থুবড়ে পড়তেই হবে অথবা কিছু সমস্যা এমন আসবে যার সমাধানের কোনো কূলকিনারা পাওয়া যাবে না। আচার্য চানক্যের কথা আমরা সকলেই জানি। তিনি একজন মহা জ্ঞানী ব্যক্তি একজন মহা পন্ডিত ছিলেন। জীবনে পথে চলার জন্য তিনি কিছু নিয়ম-নীতি আমাদের বলে গেছেন। তার কথা মেনে চললে আপনাকে জীবনে কেউ কোন বিপদে ফেলতে পারবে না, যেকোনো পদক্ষেপে যে কোন সমস্যায় পড়লে তার বলা সব কথা আপনাকে সমস্ত সমস্যার সমাধান বলে দেবে।

বিশেষ করে নারী ও পুরুষের সম্পর্কে তিনি যা কথা বলে গেছিলেন তা আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তার দেওয়া সমস্ত নীতি কথাগুলি মেনে চললে নারী-পুরুষের সম্পর্ক অর্থাৎ আপনার বৈবাহিক সম্পর্ক ভালো থাকবে। এই সমস্ত বিষয় নিয়েই আজকে আমাদের আলোচনা।

আরও পড়ুনঃ এই বিষয় গুলি মেয়েরা সব সময় গোপন করতে চায় জানেন কি সেগুলো কি?

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন কিছু ব্যক্তিগত কথা থাকে যা শুধু নিজের মধ্যে চেপে রাখতে হয় এমন অনেক কথাই আছে যা আপনি কাউকে বললে আপনার জীবনে নেমে আসতে পারে বিভিন্ন সমস্যা। কিছু কিছু বুদ্ধিমান ব্যক্তি আছেন যারা এই কথাগুলি কখনই কারোর সাথে শেয়ার করে না। কথাগুলো কি? আসুন জেনে নেওয়া যাক–

১. যেকোনো মানুষের আর্থিক অবস্থা সব সময় সমান যায় না। ভালো বা খারাপ লেগেই থাকে কিন্তু আর্থিক অবস্থা আপনার যতই খারাপ হোক না কেন তার কারো সাথে ভাগ করে নিতে নেই। নিজের যেটুকু সম্পদ আছে তার খবর কেবল নিজের কাছেই রাখতে হয়। আপনার দুঃসময়ে অর্থাৎ আর্থিক সমস্যায় কেউই সাহায্য করতে আসবে না। সবাই কেবল মিথ্যা সাহায্যের আশ্বাস জোগায়। আপনি যার কাছেই আর্থিক দারিদ্রতার কথা বলবেন তার কাছে হয়তো দারিদ্রতার কোনো মর্যাদাই নেই।

আরও পড়ুনঃ সকালে উঠে খান এক কোয়া রসুন আর হয়ে যান চনমনে

২. নিজের ব্যক্তিগত সমস্যাও কখনো কাউকে জানাতে নেই। পন্ডিত চাণক্যও তাই বলতেন এবং তিনি নিজেও তার ব্যক্তিগত সমস্যা কাউকে জানাতেন না। যারা তাদের ব্যক্তিগত সমস্যা অন্যের সাথে ভাগ করে নেয় তারা কুরুচিকর এবং বিরক্তকর বলে চিহ্নিত হয়। কারণ অনেক মানুষই আছে যারা সামনে আপনাকে আশ্বাস দেবে কিন্তু পেছনে আপনার সমস্যার কথা নিয়ে মজা করবে। প্রকৃত জ্ঞানী ব্যক্তিরা নিজের ব্যক্তিগত সমস্যা বা নিজের প্রিয়জনদের সমস্যা কাউকে জানান না।

৩. আমি যদি আপনার নিচু পদস্থ কোন ব্যক্তির কাছে অপমানিত হন। তাহলে সে কথা কাউকে না বলাই ভালো কারণ কাউকে বললে হয়তো অন্য কোন জনসমক্ষে সে কথা প্রচার করতে পারে। এবং তার ফলে আপনার মর্যাদা হ্রাশ করবে।

আরও পড়ুনঃ বাড়িতে বসে মোটা হয়ে যাচ্ছেন ? আজই করুন এই কাজ গুলি

৪. আদরের সাথে সাথে শাসন করাটাও অনেক গুণের। তাই পুত্র হোক বা শিষ্য তাকে আদরের সাথে সাথে শাসন করাটা বেশি প্রয়োজন। পুত্রকে সবসময় সুশিক্ষা দেওয়া উচিত কারণ হাজারটি মূর্খ পূত্রের থেকে একটি জ্ঞানী পুত্র অনেক ভালো।

Advertisement