মা হওয়ার পর মেদ ঝরানোর‌ গোপন টিপস শেয়ার করলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

মা হওয়ার পর প্রতিটি নারীর শরীরের প্রকাশ পায় বেশ কিছু পরিবর্তন। তার মধ্যে একটি পরিবর্তন হলো নারীদের শরীরের মেদ বৃদ্ধি। এই বিষয়টি অস্বাভাবিক নয়। এই পরিবর্তন সমস্ত নারীর মধ্যে দেখা যায়। তবে নিয়মিত শরীরচর্চা, ব্যায়াম এবং খাওয়া-দাওয়ার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অতিরিক্ত মেদ শরীর থেকে ঝরে যায়। তবে অনেকেই মাতৃত্বকালীন অবস্থার পর তাদের শরীরের অতিরিক্ত মেদ দেখে হতাশ হয়ে পরেন। অনেক সময় বহু নারীকে তাদের শরীরের অতিরিক্ত মেয়েদের জন্য সমালোচনার শিকার হতে হয়। সেই সমালোচনা তালিকা থেকে বাদ যান না সেলিব্রিটিরাও। ঠিক যেমনভাবে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে শুভশ্রী গাঙ্গুলীর মাতৃত্বকালীন অবস্থার পর তাঁর শরীরের অতিরিক্ত মেদ নিয়ে মশকরা করা হয়েছিল। তেমনভাবেই কোয়েল মল্লিকের মাতৃত্বকালীন অবস্থার পর তাঁর শরীরের পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে কোয়েল মল্লিককেও সমালোচনার শিকার হতে হয়।

কবীরের জন্মের পর থেকে কোয়েল মল্লিকের ব্যস্ততার সীমা-পরিসীমা নেই। একদিকে তো একরত্তি ছেলেকে নিয়ে তাঁর হিমশিম অবস্থা। তার মধ্যেই কোয়েল মল্লিকের বাড়ির দুর্গাপুজো এবং পুজোর আগে তার খুড়তুতো ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে তিনি যথেষ্ট ব্যস্ত ছিলেন। তবে ব্যস্ততা যতই থাক, তিনি শরীরের প্রতি যথেষ্ট নজর দিয়েছেন। সেই কারণেই মা হাওয়ার খুব অল্পদিনের মধ্যেই তিনি ঝড়িয়ে ফেলেছেন তাঁর শরীরের অতিরিক্ত মেদ, যা দেখে তাজ্জব নেটদুনিয়া। তবে অনেকেই কোয়েল মল্লিককে প্রশ্ন করেছেন যে তিনি কীভাবে এই অল্প সময়ের মধ্যে তাঁর শরীরের মেদ ঝরিয়ে ফেললেন? তিনি এতদিন এই সম্পর্কে কিছু না বললেও, এবার তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে তাঁর শরীরের মেদ কমানোর রহস্য প্রকাশ করেছেন।

কোয়েল মল্লিক সম্প্রতি ফিটনেস সম্পর্কিত খুঁটিনাটি টিপস সম্পর্কিত ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। তার সঙ্গেই শেয়ার করেছেন নিজের ফিটনেস সিক্রেট এক্সারসাইজ। তিনি জানিয়েছেন পুজোতে তাঁর প্রিয় লুচি ও ফুচকা ভুলে তিনি ব্যালেন্স ডায়েট করেছেন।আলমারি ভর্তি জিনস, টপ ও অন্যান্য ড্রেস যখন ফিট করছিল না, তখন কোয়েলের কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল নতুন পোশাক না কিনে শেপে ফিরে আসার। মাতৃত্বকালীন অবস্থায় তিনি রোজ এক ঘন্টা হেঁটেছেন এবং রোজ যোগাভ্যাস করেছেন। তবে শুধু এতেই মেদ ঝড়ে না। বরং তার সাথে পুষ্টিকর খাবার খেতে হয়।

সেই কারণে কবীর হওয়ার পর তিনি রোজ জিম করতেন। আর জিম হলো কোয়েলের মন ভালো রাখার জায়গা। কারণ এক্সারসাইজের ফলে হ্যাপি হরমোন রিলিজ হয়। তবে ওভারডু বা আন্ডারডু করা উচিত নয়। আর খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্রে তিনি সবাইকে পরামর্শ দিয়েছেন পরিমিত পরিমাণে খাবার খেতে।তিনি বলেছেন সেদ্ধ না খেলেও পরিমাণ মতো তেল-মশলা খান। কিন্তু রোজ শরীর চর্চা করাও জরুরি। তার সাথে জরুরি হলো পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং জলপান করা। একইসাথে উচিত প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণে ঘুমানো। তবে সবসময় মন ভালো রাখা এবং আনন্দে থাকাটাও জরুরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button