Aindrila Sharma: কেমো নেওয়ার পর অন্য এক রূপ, আয়নায় নিজেকে দেখে আঁতকে উঠেছিলেন ঐন্দ্রিলা

কলকাতা হান্ট ডেস্কঃ “Struggle for existence”- ডারউইনের এই মতবাদটি শুধু জীববৈচিত্র্য ব্যাখ্যার জন্যই প্রযোজ্য নয়। এই মতবাদ দিয়ে ব্যখ্যা করা যায় আমাদের জীবন। আমাদের প্রত্যককেই লড়াই করে বাঁচতে হয় জীবনে। লড়াই বিহীন জীবন তো আর জীবন নয়। বারবার ভেঁঙে গিয়েও যারা নিজেকে গড়ে নিতে পারে, দেওয়ার পিঠ ঠেকে যাওয়ার পরেও যারা নিরন্তর চালিয়ে যায় আপন সংগ্রাম তারাই তো আসল জীবন যোদ্ধা। জীবনের ময়দানের লড়াইটা প্রতিযোগিতার ময়দানের লড়াইয়ের থেকে কোনো অংশে কম নয়,বরং জীবনের লড়াই আরোও কঠিন। কারণ এখানে প্রতিটা বাঁকে বাঁকে রয়েছে চ্যালেঞ্জ, পিছুটান। এই পিছুটান যে কাটিয়ে উঠতে পারেন, তিনিই জিতে যান।

আরও খবরঃ- Sandipta Sen: ‘বরসোরে মেঘা’ গানে বর্ষার মরশুমে তুমুল নাচ সন্দীপ্তার, রইলো ভিডিও

ক্যান্সারকে বলা হয় দুরারোগ্য ব্যাধি। এই ব্যাধির শিকার যারা হন তারা শারিরীকভাবে তো ভেঁঙে যান। মানসিকভাবেও ভেঁঙে যান তারা। কেমোথেরাপির কষ্ট, রেডিয়েশনের কষ্ট সাথে সাথে মানসিকভাবে অস্বস্তি সবসময় কু্ঁড়ে কুঁড়ে খায় শরীর ও মনকে। তাও মনের জোর রাখতেই হয়। নাহলে এ রোগ জয় করা মুশকিল। এই মুশকিলকেই তুড়ি মেরে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে প্রতিনিয়ত লড়াই করে যাচ্ছেন যিনি, তিনি ঐন্দ্রিলা সেন। আর তাঁর পাশে বটবৃক্ষের মতো রয়েছেন তাঁর মা-বাবা ও প্রিয় সখা সব্যসাচী চৌধুরী।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Aindrila Sharma (@aindrila.sharma)

আরও খবরঃ- রাজ্যে ৭ হাজার শূন্যপদে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ, খুব শীঘ্রই বিজ্ঞপ্তি

২০১৫ সালে ঐন্দ্রিলা [ Aindrila Sharma ] যখন ক্লাস এলেভেনে পরেন, তখন ধরা পরেছিল এই দুরারোগ্য ব্যাধি। এরপর চিকিৎসক বাবা ও নার্স মায়ের সহায়তায় দীর্ঘকালীন চিকিৎসা চলে তাঁর। সেইসময় একদিন বাথরুমে গিয়েছিলেন মুখে চোখে জল দিতে। নিজেকে দেখে ভয় পেয়ে যান তিনি।ভাবেন– এ আমিই কি সেই আমি? সারা শরীরে জ্বালা করার পাশাপাশি চোখের তলায় কালি পরে যায় তাঁর, সব চুল উঠে যায়।তবে সেই মুহুর্তে ভাবেন যে, নিজেকে দেখে নিজেই যদি এতো ভয় পাই, তাহলে বাকি প্রিয়জনদের কি হবে?

আরও খবরঃ- আজকের সোনা-রুপো, পেট্রোল-ডিজেল ও গ্যাসের বাজারদর কত চলছে জেনে নিন

এরপর ২০১৬ সাল পর্যন্ত চিকিৎসা চলে। চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে যান তিনি। এরপর ‘জিয়নকাঠি’ ধারাবাহিকও করেন তিনি। কিন্তু চলতি বছরে সরস্বতী পুজোর সময় আবার ক্যান্সার ধরা পরে তাঁর। দিল্লির বেসরকারি হাসপাতালে যান চিকিৎসা করতে। প্রথম কেমোথেরাপির পর টালিগঞ্জে শুটিং করতে ফেরেন তিনি। তবে দ্বিতীয় কেমোর পর চিকিৎসকরা তাঁকে রেস্ট নিতে বলেছেন। তাঁর মা-বাবা তো পাশে ছিলেনই। তাঁর বন্ধু সব্যসাচী চৌধুরীও তাঁর পাশে থেকেছেন সবসময়। ওষুধ খাইয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে যত্ন নেওয়া সবকিছুতেই পাশে ছিলেন সব্যসাচী। সমস্ত দর্শকরা ঐন্দ্রিলার সুস্থতা কামনা করেন।

আরও পড়ুন

Back to top button