Aryan Khan: আরিয়ানের পক্ষে সাফাই গাইলেন নামজাদা উকিল, নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা তুঙ্গে!

শাহরুখ খান, নামই যার পরিচয়। একটার পর একটা হিট ছবি দ্বারা দর্শকদের মনে চিরস্থায়ী আসন অধীকৃত করে রয়েছেন। কোনো রকম গড ফাদারের সাহায্য ছাড়াও যে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে নিজস্ব পরিচয় প্রতিষ্ঠা করা যায়, তার প্রকৃত উদাহরণ শাহরুখ খান স্বয়ং। জীবনে যথেষ্ট লড়াই করেছেন তিনি। তবুও স্বপ্ন তাকে তাড়া করে নিয়ে বেড়িয়েছে। স্বপ্নের বাস্তবায়নে কোনো বাঁধাকে বাঁধা মনে করেননি তিনি। তাই তো আজ তিনি বলিউডের কিং খান। তবে তিনি অকৃতজ্ঞ নন। জীবনের ওঠা পড়ায় যে প্রেমিকা সবসময় তাঁর পাশে ছিল, আজ তাঁকেই নিজের স্ত্রীর সম্মান দিয়েছেন। এখন ছেলে, মেয়েকে নিয়ে সুখী দম্পতি তারা।

তবে এবারে খবরের শিরোনামে শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খান। না, কোনো সিনেমার জন্য নয়। মাদক পাচারের দায়ে তিনি ধরা পরেছেন পুলিশের হাতে। ক্রুইশে সিপের পার্টি চলাকালীন শাহরুখ খানের পুত্রের লেন্সের বাক্স থেকে উদ্ধার হয়েছে নিষিদ্ধ মাদক। আর তার বান্ধবী যার নাম মুনমুন ধমেচার স্যানিটারি ন্যাপকিন থেকে নিষিদ্ধ মাদক উদ্ধার হয়েছে। এই কারণেই এন সি বি ওইদিন রাতে শাহরুখ পুত্র সহ প্রায় ১০ জনকে গ্রেফতার করেন।

এন সি বি র সূত্রে জানা গেছে যে ওইদিন ৩০ গ্রাম কোকেন, ২১ গ্রাম চরস, ২২টি এমডিএমএ বড়ি এবং নগদ ১,৩৩,০০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। অন্তত আরিয়ান খানের গ্রেফতারি পরোয়ানায় এমনটাই লেখা হয়েছে। আর তার বান্ধবী মুনমুন নিজেই স্বীকার করেছেন যে তিনি মাদক সেবন করতেন। তিনি পেশায় একজন মডেল। এছাড়াও তার আরেক বন্ধু শেঠ মার্চান্টকেও গ্রেফতার করা হয়। স্যোশাল মিডিয়ার চ্যাট থেকে প্রমাণ হয়েছে যে তিনিও মাদক পাচারের সাথে যুক্ত ছিলেন।

আরিয়ান খানের জেল হেফাজতের মেয়াদ আপাততঃ আগামী ৭ ই অক্টোবর পর্যন্ত। আরিয়ান, আরবাজ, মুনমুন সহ অন্যান্যদেরও জেল হেফাজতে রাখা হবে। কিন্তু আরবাজ খানের উকিল এসে ভিন্ন মন্তব্য করেছেন। আরবাজের উকিলের দাবী স্যোশাল মিডিয়ার চ্যাট থেকে কোনো রকম মেসেজ পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য ড্রাগ জাতীয় কোনো মেসেজের প্রমাণ মেলেনি। তারাও নাকি মাদক পাচারের সাথে যুক্ত নন। তবে শেষ অব্দি কি প্রমাণিত হয়, এখন এটাই দেখার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button