মেয়ের মধ্যেই স্বামী কালিকা প্রসাদকে অনুভব করেন স্ত্রী ঋতচেতা

কলকাতা হান্ট ডেস্কঃ “তখন কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি?”– সৃষ্টি তো মৃত্যুর চেয়েও বড়ো। সৃষ্টিকে বাঁধা যায় না জন্ম-মৃত্যুর বাঁধনে। মানুষের মৃত্যু হলেও তাঁর সৃষ্টিগুলো, কাজগুলো অমর হয়ে থেকে যায়। স্বয়ং কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই কথা বলে গেছেন। গত ১১ ই সেপ্টেম্বর ছিল এমন একজন মানুষের জন্মদিন, যিনি তাঁর কাজগুলো দিয়ে মানুষের মণিকোঠায় চিরজীবী হয়ে থাকবেন। তাঁর নাম কালিকাপ্রসাদ। বাংলার লোকসঙ্গীত নিয়ে নিরন্তর গবেষণা করে গেছেন। গ্রাম বাংলার আনাচেকানাচে লুকিয়ে থাকা মাটির সুরকে তুলে ধরতেন সকলের সামনে। বহু বেনামী শিল্পী তাঁর হাত ধরে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে গেছেন।

লেটেস্ট খবরঃ- মোদক পরিবারে বিয়ের আসর, মিঠাই রানীকে মালা পরাবেন উচ্ছেবাবু!

একটি পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তাঁর। স্ত্রী ঋতচেতা এবং একমাত্র কন্যা আশাবরীকে ফেলে চলে গেছিলেন চির ঘুমের দেশে। তবে তাঁর জন্মদিনে তাঁর স্মৃতিচারণ করলেন তাঁর স্ত্রী। তিনি জানান জন্মদিনে কালিকাপ্রসাদের প্রিয় উপহার ছিল পায়েস আর মেয়ের হাতে তৈরি কার্ড। পরবর্তীতে অবশ্য সুগার ফ্রি পায়েস রান্না করে দেওয়া হতো তাঁর সুগারের জন্য।

আরও খবরঃ- ড্রাগন ফল চাষ করে ১০ লক্ষ আয়, শুনে চক্ষুচড়কগাছ নেট নাগরিকদের

কালিকাপ্রসাদ তাঁর স্ত্রীকে বলতেন স্কুলের চাকরি ছেড়ে গানের প্রতি মনোযোগী হতে। কিন্তু এই চাকরি ছাড়েননি বলেই পরিবারের হাল ধরতে পেরেছেন তিনি। কালিকাপ্রসাদের জন্মদিনে ২০১৭ সাল থেকে ‘জন্মদিনে কালিকাপ্রসাদ’ নামক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ‘দোহার’-এর পক্ষ থেকে। এবছরেও ছেদ পরেনি সেই ধারাবাহিকতায়। তাঁর প্রাণের দোহার আজও মনে রেখেছে কালিকাপ্রসাদকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button