কুল খেয়ে ফেল করে যাওয়ার ভয়! ভিডিও শেয়ার করলেন ঋতাভরী

“রূপে গুনে অনন্যা” বলতে যা বোঝায় বাংলার চলচিত্র জগতের অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী তাই। রূপে গুনে তিনি মন জয় করে রেখেছেন অগনিত দর্শকদের। ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ -তে ‘ললিতা’ -এর চরিত্রে অভিনয় করার মাধ্যমে পা রাখেন অভিনয় জগতে। সত্যিই সুন্দরী তিনি। তবে বধূ নয়। তিনি এখনও অবিবাহিতা। ছোট পর্দায় যখন থেকে কাজ করতেন, তখন থেকেই তাঁর ভক্তসংখ্যা অগনিত। তারপর এখন তিনি বড়ো পর্দাতে কাজ করছেন। ‘ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মটি’-এর মতো ছবি করে তিনি দর্শকদের মনে নিজস্ব জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন নিজের। তবে ধন্যি মেয়ের অধ্যাবসায়। এই বছরই ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক স্তরের পড়াশোনা শেষ করলেন অভিনেত্রী। করোনা আবহে হাসপাতালে থেকেই নিয়মিত ভার্চুয়াল মাধ্যমে ক্লাস করতেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেন অভিনেত্রী।

View this post on Instagram

A post shared by Ritabhari Chakraborty (@ritabhari_chakraborty)

সামাজিক মাধ্যমে তাঁর অনুরাগী সংখ্যা প্রায় ২ মিলিয়ন। তাঁর এক একটি ছবি তাঁর ভক্তদের রাতের ঘুম উড়িয়ে দেয় নিমেষে। কখনো বঙ্গতনয়া বা বঙ্গবধূ রূপে ধরা দেন তিনি, আবার কখনো ধরা দেন হট লুকে। ভারতীয় পোশাকই হোক বা পাশ্চাত্য পোশাক সবেতেই সাবলীল তিনি। তবে বেশ কিছু মাস ধরে তিনি শারীরিক সমস্যাতেও ভুগছেন। তাঁর দু-দুটি অস্ত্রপচার হয়েছে। এমনকি তিনি কয়েকদিন আগে পায়েও চোট পেয়েছেন। তবে সেই পায়ের চোট নিয়ে তাজ বেঙ্গল হোটেলে কোকা-কোলার উদ্যোগে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে হুইলচেয়ারে করে পৌঁছে গিয়েছিলেন। তিনি নিজেই ইন্সটাগ্রামে ইভেন্টের কয়েকটি ছবি শেয়ার করার সাথেই শেয়ার করেছেন আর শেয়ার করেছেন নিজের ব্যান্ডেজ করা পায়ের ছবিও। তিনি যে আর শারীরিক প্রতিবন্ধকতার জন্য কোনো কাজ থেকে পিছিয়ে আসবেন না, তা স্পষ্টই জানিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি তিনি একটি মজার ভিডিও শেয়ার করেছেন। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একজন বাবা তার দুই ছোট ছেলেকে কিছু ফল দিয়ে বলছেন, এগুলিকে ‘কুল’ বলে। তবে এগুলি সরস্বতী পুজোর আগে খেলে পরীক্ষায় ফেল করে যাবে বাচ্চা দুটো। বাবার কথা শুনে বাচ্চাগুলো কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকার পরে আবার সেই ফলগুলো নিয়ে খেতে শুরু করে দেয় এবং নিজেদের মধ্যে হাসতে থাকে। এই ভিডিওটি শেয়ার করে ঋতাভরী ক্যাপশনে লিখেছেন, এই ভিডিওটির অর্থ সব বাঙালিরাই বুঝবেন। সত্যিই এই ভিডিওয়ের মর্মার্থ সমস্ত বাঙালিদের বোধগম্য হওয়ার মতো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button