এবার থেকে ২৫ নয় ২১ বছর থেকেই মদ্যপানের অধিকার দেওয়া হলো সকলকে !

নিজস্ব প্রতিবেদন: পুরাকালে অবসর বিনোদনের একটি মাধ্যম মানা হতো মদ্যপানকে।সেইসময় বিনোদনের জন্য অন্যান্য কোন সূত্র না থাকায় ব্যাক্তিগন মদ্যপানের সাহায্যেই নিজেদের বিনোদন সৃষ্টি করতেন। বর্তমান যুগে অনেক আধুনিক বিনোদন ব্যবস্থা আসলেও এই নিয়মের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। এখনো প্রায় সব ক্ষেত্রেই এই মদ্যপানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। কোন অনুষ্ঠান বাড়ি হোক বা কোন পার্টি সবেতেই থাকে মদ্যপানের আয়োজন। তবে এতদিন পর্যন্ত কিছু নিয়ম নিষেধ ছিল এই বিষয়ে।তবে সম্প্রতি নতুন নির্দেশ জারি করার মাধ্যমে প্রায় সেই সম্পর্কিত সমস্ত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হল। জানা গিয়েছে, নতুন নিয়ম জারি করার ফলে কমে গেল মদ্যপানের বয়স সীমা।এতদিন ২৫ বছর বয়সের নীচে মদ্যপান বা মদ ক্রয় করতে পারতো না দিল্লির তরুণ তরুণীরা। এবার সেই বয়স কমিয়ে ২১ বছর করার চিন্তাভাবনা করছে দিল্লি সরকার।

আরও পড়ুন: গন্তব্য আহমেদাবাদ থেকে পুনে, ভক্তদের হাতে পরিবারসহ ক্যামেরাবন্দি Virat Kohli

তবে দেশের অনেক রাজ্যের ক্ষেত্রেই এই নিয়মে সুরাপানের বয়স সীমা আরো নিচে করা হয়েছে।যেমন পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে মদ্যপানের বয়স সীমা ১৮ বছর। অন্যান্য কিছু রাজ্যেও ঠিক একই রকম বয়সসীমা রয়েছে।গতকাল দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া এই খবর জানানোর পর থেকেই খুশির আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে মদ্যপ্রেমীদের মধ্যে।তবে অনেক সমালোচনাকারীরা এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা জানিয়েছেন। তার কারণ এর ফলে অকালেই অনেকের মধ্যে অতিপক্বতা দেখা দেবে। এমনকি অনেকের ক্ষেত্রেই শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।

আরও পড়ুন: কবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালীন ভেঙে পড়ল স্ট্যান্ড, আহত শতাধিক দর্শক

এদিন উপমুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন,”পানশালাগুলিকে যেন কারাগার মনে হয়। এখন থেকে পানশালা খুলতে হলে অন্তত ৫০০ স্কোয়ার ফুট স্থান থাকতে হবে। আর তার ঢোকার দরজা যেন রাস্তার দিকে না হয় সেই খেয়ালও রাখতে হবে”। পাশাপাশি আপাতত যে কয়েকটি মদের দোকান রয়েছে শুধুমাত্র সেগুলিই চালু থাকবে বর্তমানে।অন্যান্য কোন দোকানকে লাইসেন্স দেওয়া হবে না বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।এছাড়াও মদ্যপানের ক্ষেত্রে আগামী দিনে আরও বিশেষ কয়েকটি নীতি ঘোষণা করা হতে পারে দিল্লি সরকারের তরফে।

আরও পড়ুন: মা তারার পুজো মঙ্গলবার করলে বিশেষ সৌন্দর্যে জীবন ভরে ওঠে

সাধারণত মদ্যপানের বেশিরভাগ ক্ষতিকর দিক থাকলেও বিশেষ কয়েকটি ক্ষেত্রে এর কিছু উপকারিতাও রয়েছে। যেমন কিছু কিছু ব্র্যান্ডের মদ কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ওজন ধরে রাখতে এবং বুড়িয়ে যাওয়া রুখতে সাহায্য করে।এছাড়াও হৃদযন্ত্রের সমস্যা, হাইপারটেনশনের সমস্যা, গলা ব্যথা বা গলার ইনফেকশন এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে মদ্যপান। তবে অবশ্যই অতিরিক্ত মদ্যপান করা উচিত নয়। তাহলে তা পেটের এবং লিভারের সমস্যা ডেকে আনতে পারে। এবং পরবর্তীতে এর ফলস্বরূপ ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। তাই নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে মদ্যপান করা উচিত। সুস্থ থাকুন এবং অপরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করুন।