এবার থেকে মাত্র ৪৫ মিনিটেই হাতে পেয়ে যাবেন করোনা টেস্টের রিপোর্ট, বাজারে আসছে যুগান্তকারী যন্ত্র “কোভির‍্যাপ”

কলকাতা হান্ট ডেস্কঃ দিন প্রতিদিন ভারতের বিভিন্ন জায়গায় করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে চলেছে।করোনা ভাইরাসের সাধারণ উপসর্গ গুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর, গলাব্যথা এবং স্বাদ নষ্ট হয়ে যাওয়া।আমাদের ভারতে এগুলি খুব স্বাভাবিক তাই রোগ হওয়ার দরুন পরীক্ষা না করলে ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার খবর সাধারণত বোঝা যাচ্ছে না।কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় পরিকাঠামো ব্যবস্থা এতটাই অনুন্নত যে দ্রুত পরীক্ষা করা সম্ভবপর নয়।ফলস্বরূপ কোন রকম টেস্ট ছাড়াই আমাদের চারপাশে এমন অনেক আক্রান্ত রোগীরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন যাদের শরীরে হয়তো ইতিমধ্যেই ভাইরাস বাসা বেঁধে রয়েছে। এবং সেই আক্রান্ত রোগীদের থেকেই ক্রমাগত অন্যান্যদের শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে আরটি-পিসিআর বা র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টই বড় ভরসা। কিন্তু, র‍্যাপিড অ্যান্টিজেনে অনেক সময় নেগেটিভ রিপোর্ট এলেও, আরটি-পিসিআরে তা পজিটিভ হয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ আজকের রাশিফল রবিবার ২৫ এপ্রিল ২০২১, কোন রাশির ভাগ্যে কি রয়েছে? জানাচ্ছেন আমাদের জ্যোতিষীরা

কিন্তু এই rt-pcr রিপোর্ট আসতে অনেকটা দেরি হয়ে যাচ্ছে। ফলস্বরূপ অনেক ক্ষেত্রেই ভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের সঠিক সময়ে চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না। এবং কোন জরুরী দরকার থাকলেও মানুষ এই রিপোর্ট সহজেই হাতের কাছে পাচ্ছেন না।এই পরিস্থিতিতে, মাত্র ৪৫ মিনিটে কোভিড পরীক্ষার ফলাফল জানা যাবে, এমন যন্ত্রই আবিষ্কার করল আইআইটি খড়্গপুর।তাদের এই যুগান্তকারী যন্ত্রের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই তা সাড়া ফেলে দিয়েছে সব জায়গায়। কারণ দেশের এই সংকটজনক মুহূর্তে এই যন্ত্র যে অত্যধিক কাজে আসবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে দ্রুত গতি আনবে এই যন্ত্র।ফলস্বরূপ যেসব মানুষের চিকিৎসা তাড়াতাড়ি শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না সেখানেও গতি আসবে।মাত্র ৪৫ মিনিটেই
টেস্টের রিপোর্ট ‘পজিটিভ’ না ‘নেগেটিভ’ জানিয়ে দেবে এই “কোভির‍্যাপ” নামক যন্ত্রটি।

আরও পড়ুনঃ শরীরে নেই একটি হাত, এক হাতেই ব্যাট চালিয়ে চার মারছেন এই যুবক, তুমুল ভাইরাল ভিডিও

আইআইটি সূত্রে জানা গেছে, দ্রুত এবং কম খরচে করোনার “রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড” বা আরএনএ পরীক্ষার নিখুঁত রিপোর্ট পাওয়া যাবে কোভির‍্যাপের মাধ্যমে। এই যন্ত্র বাজারজাত করার অনুমোদনও পাওয়া গেছে।এই যন্ত্র বাজারে আসার পর থেকে করোনাভাইরাস এর চিকিৎসার ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন হবে তা এখন থেকেই বোঝা যাচ্ছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই যন্ত্রের নির্মাণের ক্ষেত্রে বিগত বেশ কিছুদিন আগে থেকেই মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার সুমন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে গবেষণা চলছিল। তিনি জানিয়েছেন এখনকার বাজারে যেসব যন্ত্র করোনা পরীক্ষার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলিতে রিপোর্ট আসতে অত্যন্ত সময় লাগার কারণে চিকিৎসায় দেরি হচ্ছে। এই সময় বাঁচানোর জন্যই নতুন যন্ত্রের কাজে হাত লাগিয়েছেন তারা। প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি,রাজধানী দিল্লির একটি সংস্থাকে ইতিমধ্যেই এই প্রযুক্তি দেওয়া হয়েছে। কাজেই ২-৩ মাসের মধ্যে এ দেশের বাজারেও এসে যাবে “কোভির‍্যাপ“।