হিন্দু মন্দিরে কেন ঝোলানো থাকে ঘন্টা! কারণ জানলে চমকে যাবেন

কলকাতা হান্ট ডেস্কঃ হিন্দুদের কাছে মন্দির হলো পবিত্রতম স্হান। ঈশ্বরে বিশ্বাসী সকল মানুষই মন্দিরের ভিতরে স্বর্গ খুঁজে পান। মন্দিরে পূজিত হন দেবতারা। তাই মন্দিরের পরিবেশ সর্বদাই মনে ভক্তির ভাবের সঞ্চার করে। পরিশুদ্ধ করে তোলে মনকে। এই মন্দিরের অন্যতম বিশেষত্ব হলো ঘন্টা। প্রত্যকটি মন্দিরে ঘন্টা থাকবেই। ভারতের যে প্রান্তেই আপনি যান না, উত্তর ভারত বা দক্ষিণ ভারত প্রত্যকটি স্থানের মন্দিরেই ঘন্টা থাকে। মন্দিরে প্রবেশের সময় ঘন্টা দেখতে পাওয়া যায়। কখনো একটা ঘন্টা থাকে, আবার কখনো একাধিক ঘন্টা থাকে মন্দিরের মধ্যে। ঘন্টা বিহীন মন্দির দেখাই যায় না কখনো।

আরও খবরঃ- ভিক্ষা করে আয় ২ কোটি! বড় বড় কর্পারেট সংস্থার কর্মীদের লজ্জায় ফেলবে এই ভিখারি

ঘন্টা ধ্বনি যেন ভক্তির সাথে ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে রয়েছে। ঘন্টার ধ্বনি ছাড়া ভক্তির উদ্রেক হয় না বললেই চলে। ঘন্টার ধ্বনির সাথে ঠকুরের নাম গানে মন্দির চত্বর মেতে ওঠে। আর সেটাই উপভোগ করেন ভক্তকূল। ঘন্টা ছাড়া মন্দির কল্পনাতীত। কিন্তু কেন মন্দিরে ঘন্টা থাকে জানেন কি? কখনো ভেবে দেখেছেন হিন্দু ধর্মে এই ঘন্টা বাজানো কি শুধুই একটি প্রথা নাকি এর পিছনে লুকিয়ে রয়েছে অন্য কোনো অন্তঃনির্হিত কারণ? আসলে মন্দিরে ঘন্টা বাজানোর পশ্চাতে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ। গর্ভগৃহে ঢোকার আগে আমরা যে ঘণ্টা বাজাই সেটাকে অশুভ শক্তি দূরীকরণের জন্য বাজানো হয় বলেই মনে করা হয়।

আরও খবরঃ- চুপিসারে প্রেম করছেন ‘মিঠাই’ ধারাবাহিকের সোম-তোর্সা! পরিণতি পাবে সম্পর্ক, উদ্বিগ্ন অনুরাগীরা

কিন্তু বিজ্ঞান অন্য কথা বলে। বিজ্ঞানের মতে, ঘণ্টাধ্বনি মানব মস্তিষ্ক পরিষ্কার করে। ঘণ্টা বাজানোর সাথে সাথে আমাদের মস্তিষ্কের ডান এবং বাম অংশ এক হয়ে যায়। ইকো মোডে সাত সেকেন্ড পর্যন্ত ঘণ্টাধ্বনি বজায় থাকে আমাদের মস্তিকে। আর এই সাত সেকেন্ডে আমাদের শরীরের সাতটি আরোগ্য কেন্দ্র সক্রিয় হয়ে ওঠে ভীষণভাবে। এই সক্রিয়তা আমাদের মধ্যে চলতে থাকা সমস্ত নেগেটিভ চিন্তাধারাকে মুছে ফেলে। যার ফলে আমরা সম্পূর্ণভাবে ঈশ্বর আরাধনায় মনোযোগ দিতে পারি।

আরও খবরঃ- পড়তে বসে কেঁদে ফেলল ছোট্ট ভুতু, দেখুন ভিডিও

ধর্মীয় মতানুযায়ী ঘন্টাধ্বনি ঈশ্বরের খুব প্রিয়। তাই এই ঘন্টাধ্বনি বাজানো হয়। কিন্তু বৈজ্ঞানিক মতানুযায়ী ঘন্টা ধ্বনি বাজানোর পর মস্তিষ্ক ভীষণভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠে। যার ফলে আমাদের মন শান্ত হয়। আর আমরা পুজোতে মন দিতে পারি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button