কুসংস্কারের বিরুদ্ধে গিয়ে, ঋতুস্রাবের সময় ঠাকুরের জন্য ভোগ রাধলেন মাতা সারোদা

কুসংস্কারের বিরুদ্ধে গিয়ে, ঋতুস্রাবের সময় ঠাকুরের জন্য ভোগ রাধলেন মাতা সারোদা
কুসংস্কারের বিরুদ্ধে গিয়ে, ঋতুস্রাবের সময় ঠাকুরের জন্য ভোগ রাধলেন মাতা সারোদা

ঋতুস্রাবের সময় মেয়েরা অস্পৃশ্যের মত এক কোণে পড়ে থাকবে। ঘর থেকে বেরোনো বারণ, পূজা করা বারণ, গুরুজনদের খেতে দেওয়া বারণ। এই সময় নাকি মেয়েদের স্পর্শ করাও পাপ। এমনটাই বলছে সমাজ, বলেছে বড় বড় শাস্ত্র পড়ে হওয়া পন্ডিতরাও। বর্তমান সময়ে এর কিছুটা পরিবর্তন হলেও , পুরোপুরি সমাজ তা এখনো মানতে পারেনি। এখনো পুরনো ধ্যান-ধারণাতেই চলছে।

কুসংস্কারের বিরুদ্ধে গিয়ে, ঋতুস্রাবের সময় ঠাকুরের জন্য ভোগ রাধলেন মাতা সারোদা
কুসংস্কারের বিরুদ্ধে গিয়ে, ঋতুস্রাবের সময় ঠাকুরের জন্য ভোগ রাধলেন মাতা সারোদা

কিন্তু আপনি কি জানেন এই সমস্ত নিয়মের উল্টো পথে হেঁটেছিলেন সারাদা দেবী? তৎকালীন সময়ে দাঁড়িয়ে এই কাজটি করা মোটেও খুব একটা সহজ ছিল না। কিন্তু সারদা মা তা করে দেখান। মাসের ওই দিন গুলিতে তিনি রান্না করতেন। স্বামী সেবা করতেন। এমনকি পূজাও করতেন।

কুসংস্কারের বিরুদ্ধে গিয়ে, ঋতুস্রাবের সময় ঠাকুরের জন্য ভোগ রাধলেন মাতা সারোদা
কুসংস্কারের বিরুদ্ধে গিয়ে, ঋতুস্রাবের সময় ঠাকুরের জন্য ভোগ রাধলেন মাতা সারোদা

স্মৃতিকথা থেকে জানা যায়, একবার শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের ভয়ানক পেটের সমস্যা হয়েছিল । তিনি কোনো রকম মসলাযুক্ত খাবার খেতে পারছিলেন না। তাই তার জন্য মা সারদা হালকা ঝোল, শুক্ত বানিয়ে দিতেন। কিন্তু সমস্যা বাঁধে মাসের ওই তিন দিন। মা ওই তিনদিন রান্না ঘরে ঢুকবেন না। তাই খাবার আসত তখন মন্দির থেকে। এদিকে মন্দিরের খাবার খেলেই ঠাকুরের পেটে অসুখ আরো বেড়ে যেত।

কুসংস্কারের বিরুদ্ধে গিয়ে, ঋতুস্রাবের সময় ঠাকুরের জন্য ভোগ রাধলেন মাতা সারোদা
কুসংস্কারের বিরুদ্ধে গিয়ে, ঋতুস্রাবের সময় ঠাকুরের জন্য ভোগ রাধলেন মাতা সারোদা

ঠাকুর তখন অভিযোগের সুরে মা কে বলেছিলেন, মা রান্না করেন নি বলেই ঠাকুরের পেটের অসুখ বেড়ে গেল। তখন মা ঠাকুর কে বুঝিয়ে বলেছিলেন মেয়েদের ওই অশুচির তিন দিন রান্না করতে নেই। তখন ঠাকুর বলেছিলেন-“মনই শুচি অশুচি , শরীরে শুচি হয় না”। এভাবেই দীর্ঘদিনের কুসংস্কারে কুঠারাঘাত করেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ এবং মা সারদা দেবী।

Get all the Latest Bengali News KolkataHunt.Com. catch out all Bangla Khobor here, follow us on Twitter and Facebook, Instagram