ভগবান শিবের মূর্তি এই স্থানগুলিতে রাখলে জীবনে আসতে পারে ঘোর বিপদ, জেনে নিন বিশদে!

ভগবান শিবের মূর্তি এই স্থানগুলিতে রাখলে জীবনে আসতে পারে ঘোর বিপদ, জেনে নিন বিশদে!

কলকাতা হান্ট ডেস্কঃ হিন্দুদের মধ্যে বহুল পরিমাণে দেবদেবীদের পুজোর রীতি প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম দেবাদিদেব মহাদেব। মহাদেবের রুদ্ররূপ এর জন্য সকলেই তাকে ভয় পেয়ে থাকেন। নিয়মিত অনেক বাড়িতেই এবং মন্দিরে পুজো করা হয় এই ভগবানের। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শিবলিঙ্গ পূজার জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে মূর্তির ব্যবহারও রয়েছে। আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন এর মাধ্যমে আমরা ভগবান শিবের মূর্তি রাখার বিশেষ কিছু নিয়মাবলী সম্পর্কে আলোচনা করব। যদি আপনি মহাদেবের ভক্ত হয়ে থাকেন এবং আপনার বাড়িতে শিব পূজা হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের এই প্রতিবেদনটি মন দিয়ে পড়বেন। নাহলে আপনার জীবনেও আসতে পারে ঘোর বিপদ। প্রথমত অনেক ক্ষেত্রেই আমরা ঠাকুর দেবতার মূর্তি অফিসের টেবিল বা ডেস্কের উপর রেখে থাকি। অন্যান্য ঠাকুরের মূর্তি এইভাবে রাখলেও শিব ঠাকুরের মূর্তি একেবারেই রাখবেন না।

কারণ এতে দেবতাদের শক্তির মধ্যে সংঘাত সৃষ্টি হতে পারে। যা সাধারণ ভক্তদের জন্য অত্যন্ত অমঙ্গলকারী হিসেবে প্রতিস্থাপিত হবে। বাড়িতে শিব মূর্তি রাখার ক্ষেত্রেও বিশেষ কিছু জিনিস মানা অবশ্যই প্রয়োজন। যেমন বাড়িতে সবসময় ভগবান শিবের ধ্যানরত মূর্তি রাখা উচিত। বলা হয় শিবের এই মূর্তি রাখলে বাড়িতে সুখ এবং সমৃদ্ধি ছড়িয়ে পড়ে। শুধুমাত্র মূর্তি নয় পুজোর নিয়মের ক্ষেত্রেও বিশেষ কিছু জিনিস অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত।বেল পাতা ও ধুতুরা শিবের প্রিয়। বেলপাতা অর্পণ করলেই শিব পুজো সম্পূর্ণ ও সফল হয়।তবে কেতকী ও কেওড়া ফুল শিব আরাধনা একেবারেই নিষিদ্ধ। শুধু ভাদ্রপদমাসেই চাঁপা দিয়ে শিব পুজো করা হয়।মনস্কামনা পুরন করার জন্য এক লক্ষ পুষ্প দিয়ে শিব পুজোর বিধান রয়েছে। তবে বর্তমানে ১০০৮ বা ১০৮টি পুষ্প দিয়ে পুজো করা যেতে পারে।

সোমবার শিব পুজোর ক্ষেত্রে একটি বিশেষ দিন। এইদিন বিবাহিত এবং অবিবাহিত মহিলারা নিয়ম মেনে ভগবান শিবের আরাধনা করে থাকেন। তবে সোমবার শিবের পুজো করার আগে কয়েকটি জিনিস মেনে চলতে পারলে খুবই ভালো হবে। উল্লেখ্য সোমবার সকালে ঘুম থেকে উঠেই স্নানের জলে কালো তিল দিয়ে স্নান সারুন। শিবলিঙ্গ থাকলে তা পুজো করার প্রস্তুতি নিন। শিবলিঙ্গ ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। প্রথমে দুধ দিয়ে স্নান করান। শিবলিঙ্গে মধু ও ঘি দিয়ে একসঙ্গে আবার ভালো করে শিবলিঙ্গ স্নান করান। এরপর গঙ্গাজল দিয়ে আবার স্নান করান। নিঁখুত বেলপাতা, ফুল দিয়ে পুজো করুন।এরপর অবশ্যই মহাদেবের পুজোর জন্য নির্দিষ্ট মন্ত্র উচ্চারণ করতে ভুলবেন না। মনে রাখবেন মহাদেবের আশীর্বাদে জীবন থেকে সমস্ত ধরনের বিপদ দূরীভূত হয়ে যেতে পারে। ভগবান শিব ঠাকুরের পুজো করার মাধ্যমেই হারানো সুখ শান্তি ফিরে আসে ও জীবন আনন্দে ভরে ওঠে। নিয়মিত ভাবে পুজো করলে দেবাদিদেব মহাদেব অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন এবং সমস্ত রকম অশুভ শক্তি থেকে আমাদেরকে দূরে রাখেন।জানিয়ে রাখি,জীবনে খারাপ ঘটনা এড়াতে শিবের পুজোর সময় যব অর্পন করুন। এর ফলে জীবনে অনেক দুর্ঘটনার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।