দরিদ্রতার জন্য মদ বিক্রি করে চালিয়েছেন পড়াশোনা, আজ ভীল উপজাতির প্রথম IAS অফিসার রাজেন্দ্র

কলকাতা হান্ট ডেস্কঃ “অস্তিতের জন্য জীবনসংগ্রাম” এই সূত্রটি আমাদের প্রতিদিনকার জীবনেই প্রযোজ্য। আমরা সবাই প্রতিনিয়ত লড়াই করে যাই। কেউ জয়ী হয়, কেউ হেরে যায়। কেউ কেউ আবার পরিস্থিতির শিকার হয়ে মাঝ পথে যুদ্ধ ছেড়ে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হন। রোজ কতো শতো মানুষ লড়াই করছেন আই এ এস অফিসার হওয়ার জন্য সারা ভারতে।

আরও খবরঃ- ঠিকরে বেরিয়ে আসছে স্তনযুগল, শরীর জুড়ে যৌবনের আগুন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সবার প্রিয় ‘বকুল’

তাদের মধ্যেই একজন সফল আই এ এস অফিসার হলেন সাক্রি তালুকার সামোদে গ্রামে জন্মগ্রহণ করা রাজেন্দ্র বাবুর। হাজার বাঁধাকে অতিক্রম করে আজ তিনি একজন আই এ এস অফিসার। তাঁর মায়ের গর্ভকালীন অবস্থাতেই তাঁর বাবার মৃত্যু হয়। তাঁর মা ও ঠাকুমা মহুয়া ফলের রস থেকে পানীয় বানিয়ে সেটি বিক্রি করে যে টাকা পেতেন সেই টাকায় তিনি ও তাঁর ভাই বোনদের খাওয়া ও পড়াশোনা চলতো। শিক্ষকদের পরামর্শে তাঁর মা তাঁকে বাড়ি থেকে ১৫০ কিমি দূরে সিবিএসসি বোর্ডের স্কুলে পাঠান পড়াশোনার জন্য। আর সেখানেই তিনি থাকাও শুরু করেন।

আরও খবরঃ- বয়স বাড়লেও কমেনি জনপ্রিয়তা, বিনোদন জগতে রাজত্ব করছেন যে সকল দাপুটে অভিনেত্রীরা

দশম শ্রেণীর পরীক্ষার সর্বোচ্চ নম্বর পান তিনি। এরপর মুম্বাইয়ের জি এস মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন তিনি। তবে স্বপ্ন ছিল মানুষের সঙ্গে মিশে মানুষের হয়ে কাজ করা। তাই ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্ততি শুরু করে দেন। অবশেষে ২০১২ সালে ফরিদাবাদে আইআরএস অফিসার হিসাবে নিযুক্ত হন। তবে চাকরি পাওয়ার পরও একইভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যান আই পি এস অফিসার হওয়ার লক্ষ্যে। ২০১৭ সালে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।

আরও খবরঃ- আজকের সোনা-রুপো, পেট্রোল-ডিজেল ও গ্যাসের বাজারদর কত চলছে জেনে নিন

এই সালে সালে তিনি শোলাপুরে চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসাবে নিযুক্ত হন। এরপর ২০১৮ সালে নন্দুর্বার জেলার ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিযুক্ত হন। এরপর থেকে বহু ভালো কাজ করে গেছেন একের পর এক। ৪০ হাজার পরিবারকে রেশনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন তিনি। আবার করোনা অতিমারীর সময় উন্নত মানের চিকিৎসা ব্যবস্থা তৈরি করেন গ্রামের লোকেদের জন্য। লড়াই ছিল তাঁর নিত্যসঙ্গী, আর এখন মানুষের সম্মান, শ্রদ্ধা এইসব সঙ্গে নিয়েই তিনি একজন সফল আই পি এস অফিসার।

আরও পড়ুন

Back to top button