শরীরের বাড়তি মেদ ও নানা অসুখ থেকে যেমন সর্দি-কাশি, মুক্তি দিতে পারে এক টুকরো কাঁচা হলুদ,জেনে নিন হলুদের উপকারিতা

Advertisement

প্রাচীন কাল থেকেই, হলুদের ব্যবহার বহুল প্রচলিত। রান্নার ক্ষেত্রেতো‌ বটেই , সাথে রূপচর্চা ও‌ বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রেও এর জুড়ি মেলা ভার।
হাজারেরও বেশি বছর ধরে এশিয়ায় হলুদের ব্যবহার শুধু মশলা হিসাবে নয়, ঔষধ হিসেবেও ব্যবহৃত।
হলুদের মধ্যে রয়েছে কারকিউমিন নামে এক উপাদান। এই উপাদান একাই একশরও বেশি রোগ সারাতে পারে।

১.ত্বকের জন্য কাঁচা হলুদ সবসময় ভালো। কাঁচা হলুদের সঙ্গে দুধের সর মিশিয়ে মুখে লাগান, ত্বকের বলিরেখা দূর হয়।

কাঁচা হলুদ, গোলাপজল, ও আঙুরের রস মিশিয়ে মুখে লাগান। এতে ব্রনোর সমস্যা কমে।

রাতে ঘুমানোর আগে হলুদ দেওয়া দুধ খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।

সূর্যের তাপে ত্বকের উজ্জ্বলতা হারালে কাঁচা হলুদ বাটার সঙ্গে দই মিশিয়ে লাগান, পোড়া ভাব দূর হবে।

২.সকালে ঘুম থেকে উঠে কাঁচা হলুদ ও সামান্য মধু মিশিয়ে খান ।হলুদের মধ্যে থাকা ,ভিটামিন ই ভিটামিন সি’র তুলনায় 5 থেকে 8 গুণ বেশি কার্যকরী আ্যন্টি অক্সিডেন্ট কারকিউমিন শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। বাড়তি মেদ বা ওজন ঝরাতে সাহায্য করে।

৩. সর্দি-কাশি কেউ দারুণ কার্যকরী কাঁচা হলুদ। কাশি কমাতে এক টুকরো হলুদ মুখে রাখুন তারপর চিবিয়ে খেয়ে নিন।

সর্দির জন্য এক গ্লাস গরম দুধে হলুদের গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে খান।

গলা জ্বালা এবং গলা ফোলার ক্ষেত্রে গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে খান উপকার পাবেন।

৪. কয়েক ফোঁটা কাঁচা হলুদের রস চিনি ও মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে লিভারের সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।

৫. কাঁচা হলুদের রস সামান্য লবণ মিশিয়ে সকাল বেলা খালি পেটে খেলে কৃমি দূর হয়।

৬. হলুদের মধ্যে থাকা কারকিউমিন এর প্রভাবে মানসিক অবসাদ দূর হয়।

৭.হলুদের মধ্যে ফেনোলিক যৌগিক কারকিউমিন রয়েছে যা ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে বলে দাবি চিকিৎসকদের।

৮. গা হাত পায়ে ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে দুধের মধ্যে একটু হলুদ মিশিয়ে খেতে পারেন।

৯.আর্থ্রাইটিসে জয়েন্টে ব্যথা হলে হলুদের পেস্ট বাৎনিয়ে প্রোলেপ দিন। আরাম পাবেন।

১০.হার্টের রোগ, আ্যজমা, ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রেও কাঁচা হলুদ উপকারী।

Advertisement