বিরিয়ানি হোক বা পোলাও, বাঙালির কাছে মাছের কালিয়ার স্থান অন্য জায়গায়, রইলো রেসিপি

macher jhal recipe
ছবিঃ গুগুল

কথায় আছে না, ‘মাছে ভাতে বাঙালি’। বাঙ্গালীদের পছন্দের রান্না তালিকায় এক আলাদাই স্থান রয়েছে মাছের। পাবদা, ভেটকি, ইলিশ, চিংড়ি, রুই কাতলা সবই বাঙালির অত্যন্ত প্রিয়। বিরিয়ানি হোক বা পোলাও মাছের কালিয়া পেলে পাত পরিস্কার হবে না? এমন বাঙালি খুব কমই আছে।

প্রবাদে আছে, ‘মৎস্য ধরিব খাইব সুখে’ বর্তমানে কথাটার কোন ওজন না থাকলেও মাছভাতের জায়গাটা বাঙালির কাছে আজও একই রকম। উৎসবের মরসুমে কত রকম রান্না প্রণালীই না হয়ে থাকে তবে যত সুস্বাদু হোক না কেন মাছের কালিয়া বাঙালির কাছে স্লগ ওভারে নেমে একেবারে সেঞ্চুরি হাঁকানোর মত।

আরও পড়ুনঃ  বাড়িতে বসেই বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু ইলিশ ভাপা, রইলো ইলিশ ভাপা বানানোর রেসিপি

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় কিভাবে খুবই কম সময়ের মধ্যে সুস্বাদু মাছের কালিয়া রাঁধবেন। রইল একটি ছোট্ট রেসিপি।

মাছের কালিয়া রান্নার প্রণালী

মাছ ও লম্বা করে কাটা আলুর টুকরোয় নুন, হলুদ মাখিয়ে ১০-১২ মিনিট রাখুন । এর পর কড়াইতে ২ টেবিল চামচ তেল গরম করুন। গরম তেলে সোনালি করে আলু ভেজে রাখুন। এ বার ওই তেলেই মাছ ভেজে নিন।

আরও পড়ুনঃ পটল কে আরো সুস্বাদু করে তুলবেন কিভাবে! জেনে নিন রেসিপি

এ বার ভাজা মাছ কড়াই থেকে তুলে তেল ঠান্ডা করে নিন। এ বার আরও একটু তেল দিয়ে গরম করে কড়াইতে গোটা গরম মশলা ফোড়ন দিয়ে রসুন বাটা দিয়ে তা বাদামি করে ভেজে নিন। রসুন ভাজার পর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে তাকেও সোনালি করে ভেজে নিন। এবার এতে টোম্যাটো বাটা বা পিউরি দিয়ে কষাতে থাকুন যত ক্ষণ না তেল ছাড়ছে। ভাল ভাবে কষানো হয়ে গেলে আদা বাটা দিয়ে আরও ২ মিনিট কষিয়ে নিন।

আরও পড়ুনঃ কচি পাঁঠার ঝোল, জেনে নিন কি করে সুস্বাদু কচি পাঁঠার ঝোল রান্না করবেন ..

এ বার এতে হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো দিয়ে বেশ খানিক ক্ষণ কষান। এ বার তাতে জল দিয়ে কিছু ক্ষণ ফুটিয়ে আগে থেকে ভেজে রাখা আলু দিন। ঝোল ঘন হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। প্রয়োজনে আরও একটু জল দিন। ঝোল যখন প্রায় ঘন হয়ে এসেছে তখন ভাজা মাছ দিয়ে মাখা মাখা হওয়া পর্যন্ত ফোটান। সব শেষে গরম মশলা ছড়িয়ে আঁচ বন্ধ করে দিন।