নখের গোঁড়া ফুলে গেছে? এখুনিই জেনে নিন কার্যকরী উপায়, একদিনেই ফল পাবেন

নখের গোঁড়া ফুলে গেছে? এখুনিই জেনে নিন কার্যকরী উপায়, একদিনেই ফল পাবেন
নখের গোঁড়া ফুলে গেছে? এখুনিই জেনে নিন কার্যকরী উপায়, একদিনেই ফল পাবেন

কলকাতাহান্ট.কম : প্রত্যহ দৈনিক কাজের ব্যস্ততায় কতজনই বা তাদের পায়ের যত্ন নিতে পারেন! কমবেশি আমাদের সনারই নখের সমস্যা দেখা যায়। এর মধ্যে সবথেকে বেশি ঘটিত রোগ টি হল নখের মাথা ফোলা। নখের মাংস ভিতর দিক থেকে বৃদ্ধি পেলে ওনাইকোক্রিপ্টোসিস বলে। এটি সবার কাছে একটি সাধারণ সমস্যা। একে অনেকে নখকুনিও বলে থাকে।

যখন নখের কোনা অর্থাৎ প্রান্তটি নরম মাংসের ভেতর প্রবেশ করে তখন সেখানে অস্বস্তিদায়ক ব্যাথা সৃষ্টি করে। এটি সাধারনত পায়ের আঙুলে হয়ে থাকে। হাতের আঙুলে এটি খুব কমই দেখা যায়। নখকুনি বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে যেমন বেশি টাইট জুতো পড়লে, সঠিকভাবে নখ না কাটলে, কিংবা কারোর অস্বাভাবিক বাঁকানো নখ হলে।

nokher kona fule geche
nokher kona fule geche

আরও পড়ুনঃ পিরিয়ডের অসহ্যকর ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার কার্যকরী ঘরোয়া উপায়, এখনই জেনে নিন

নখকুনি হলে সে জায়গাটি লাল হয়ে ফুলে যায় এবং প্রচন্ড ব্যাথা সৃষ্টি করে।  চিকিৎসায় দরি করলে এটির থেকে ইনফেকশন ছড়াতে পারে। প্রথম থেকেই বোঝা গেলে এটি ঘরোয়া প্রতিকার দাড়াও সারিয়ে তোলা যায়। কিন্তু ইনফেকশন বেড়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াই শ্রেয়। তবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে কিভাবে এটিকে সারিয়ে তুলবেন? চলুন দেখে নেওয়া যাক

উষ্ণ জলে ভেজানো :  উষ্ণ জলে পা ডুবিয়ে রেখে দিলে ব্যথা ও ফোলা অনেকটাই কমে যায়। এজন্য ছোট্ট একটি পাত্রে ঈষৎ উষ্ণ গরম জল করে তাতে ১৫ থেকে কুড়ি মিনিট পা ডুবিয়ে রেখে দিন। দিনে তিন থেকে চারবার এটি করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ চুল ঘন এবং সুন্দর করতে ট্রাই করুন এই উপায়, অবশ্যই ফল পাবেন

নখের নিচে গজ রেখে দিন :  গরম জলে পা ডুবিয়ে রাখার পর নখটিকে ভালোভাবে মুছে ছোট এবং ভোতা একটি চিমটে দিয়ে নখটিকে হালকা উপরে তুলে মাংস ও নখের মাঝখানে গজ বা সুতির কাপড় ঢুকিয়ে দিন। যাতে ইনফেকশন না হয় তার জন্য কাপড়টি দিনে অন্তত তিন থেকে চারবার পরিবর্তন করুন।

ইপসম লবণ :  ইপসম লবণ অর্থাৎ ম্যাগনেসিয়াম সালফেট নখের অন্তরবৃদ্ধির চিকিৎসায় খুবই কার্যকরী এটি মখের ত্বককে নরম করতে সাহায্য করে যার ফলে মাংসের ভেতর থেকে নখটি সহজে বেরিয়ে আসে। এতে ব্যাথাও কিছুটা নির্মূল হয়। এই পদ্ধতিটির জন্য প্রথমে একটি পাত্রে উষ্ণ গরম জল করে তাতে এক চামচ ইপসম লবণ মিশিয়ে মিন। এরপর ১৫ থেকে ২০ মিনিট এই মিশ্রণের মধ্যে পা ডুবিয়ে বসে থাকুন। তারপর পা তুলে পরিষ্কার একটি কাপড় দিয়ে ভালোভাবে মুছে নিন। সপ্তাহে তিন থেকে চারবার প্রক্রিয়া চালু রাখুন।

আরও পড়ুনঃ খুসকির সমস্যা এড়াতে কি কি করণীয় জেনে নিন  

এছাড়াও আরও অনেক উপাদান আছে যেগুলি এই নখকুনির উপশমে সাহায্য করে। যেমন – হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান, টি ট্রি অয়েল প্রভৃতি তবে প্রতিকার করার আগের থেকে সাবধান হন। সাবধানে নখ কাটুন এবং পায়ের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন এবং সর্বদা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন।

এই বিষয়ক আরওঃ