মহালয়ার দিন কাক দেখে বলুন এই বিশেষ মন্ত্র, টাকা-পয়সার সংকট থাকলে দূর হবে

হিন্দু শাস্ত্র মতে, মহালায়া অত্যন্ত শুভ একটি দিন। এই দিন থেকেই পিতৃপক্ষের অবসান আর মাতৃপক্ষের সূচনা। মহালয়া আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। এইবছর আগামী 6 ই অক্টোবর মহালায়া। মহালায়া থেকে দেবীপক্ষের সূচনা। তাই সারাবছর যেমনি কাটুক না কেন পুজোর এই কয়েকটা দিন বিশেষত দেবীপক্ষের শুরু থেকে আমরা সকলেই চাই আমাদের সময় ভীষণ ভালো কাটুক।

সমস্ত রাগ,দুঃখ, অভিমান,কষ্ট ভুলে দেবীপক্ষের শুরু থেকে আমরা আনন্দে মেতে উঠতে চাই। তবে আগের বছর থেকে করোনা অতিমারীর কারণে অনেকেরই অর্থনৈতিক অবস্থা পূর্বের মত সচ্ছল নেই,অনেক পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে, আবার অনেকে নানা রকম শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। কিন্তু আপনাদের সামান্য প্রচেষ্টা এই সমস্ত সমস্যা থেকে আপনাদের মুক্তি দিতে পারে।

মহালয়ার দিন সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে আপনাদের একটি মন্ত্র বলতে হবে। এই মন্ত্র আপনাকে সবরকম বিপদের হাত থেকে রক্ষা করবে। মহালয়ার দিন ঘুম থেকে উঠে স্নান করে শুদ্ধ জামা কাপড় পড়তে হবে। তারপরে শুদ্ধভাবে একটি কাককে দেখে তার সামনে একটি মন্ত্র বলতে হবে। তবে খেয়াল রাখবেন কাকটি যেন উড়ে না যায়। এই মন্ত্রটিই হতে পারে আপনার জীবনের পরিবর্তনের মূল মন্ত্র। মানুষ ভালো থাকার জন্য কি না করে!

কত রকম পুজো করে, কত রকম যোগ্য করে, কত কত জায়গায় যায়। আবার অনেক সময় দণ্ডী কাটতে কিংবা মনস্কামনা পূর্ণ করতে বিভিন্ন জায়গায় ঢিল বাঁধতে দেখা যায়। আসলে মানুষ সুখ সন্ধানী। আর ভালো থাকতে কে না চায় বলুন? তাই ভালো থাকার জন্য বিভিন্ন রকম চেষ্টা করে থাকেন। আপনি যদি মহালয়ার দিন কাক দেখে একটি মন্ত্র বলতে পারেন তাহলে আপনার জীবনে সুখ স্বাচ্ছন্দ ফিরে আসবে।

অবশ্য যারা শহরে থাকেন তারা হয়তো কাকের সন্ধান নাও পেতে পারেন। তারা শহরের উঁচু বাড়ির ছাদে বা ফ্ল্যাটের ওপরে গিয়ে দেখুন যে কাকের সন্ধান পাচ্ছেন কিনা। আপনারা যদি না পান তাতেও কোনো অসুবিধা নেই। যদি আপনারা দেখেন যে আপনারা একান্তই কাকের সন্ধান পাচ্ছেন না, তাহলে যে কোনো শনি মন্দিরে গিয়ে এই মন্ত্রটি বলুন। এটি এমন একটি মন্ত্র যা আপনার জীবনকে অর্থ,শান্তি, সুখ দ্বারা সমৃদ্ধ করে তুলবে।

মন্ত্র টি হল– ‘ক্রিং কা কা’। তবে একটি কথা মাথায় রাখবেন “বিশ্বাসে মিলায় বস্তু,তর্কে বহুদূর”। যদি আপনি বিষয়টি বিশ্বাস করে থাকেন, তবে এটি করবেন। নচেৎ এটি করার কোনো প্রয়োজন নেই। এই মন্ত্রটি উচ্চারণ করতে হবে ভক্তিভরে। কোনোরকম অভক্তির দ্বারা মন্ত্র উচ্চারণ করলে আদতে সেটি কোনোরকম প্রভাব ফেলবে না আপনার উপরে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button