নতুন অর্থবর্ষে যাত্রীদের জন্য নয়া নিয়ম জারি করল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদন:- গতবছর করোনাকালের শুরু থেকেই বিভিন্ন আর্থিক এবং সামাজিক নিয়মের পরিবর্তন আনা হয়েছে ভারতে। বিভিন্ন সাংগঠনিক ক্ষেত্র থেকে শুরু করে সরকারের সংস্থা প্রভৃতিতে নিত্য নতুন নিয়মের সঞ্চার ঘটানো হচ্ছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় রেলওয়ে।প্রায় প্রত্যেক মাসেই রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তরফে যাত্রীদের জন্য বেশকিছু নতুন নিয়ম জারি করা হয়। করোনাকালের সময়ে এই নিয়মের পরিমাণ অনেকখানি বেড়ে গিয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ অর্থবর্ষের শেষ দিনেও দর বাড়ল না সোনার, একই লক্ষণ দেখা গেল রুপোর ক্ষেত্রেও

যদিও চলতি বছরের শুরুর দিক থেকেই সেইসব বিধিনিষেধ এবং নিয়মে অনেকটাই লঘুতা দেখা দিয়েছে।তবে ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে আবারও দেশে বাড়ছে ভাইরাসের সংক্রমণ। তাই এই পরিস্থিতিতে আর কোনো রকমের ঝুঁকি নিতে রাজি নয় ভারতীয় রেলওয়ে।প্রসঙ্গত দীর্ঘ কয়েক মাস লকডাউনের পর কিছুদিন আগেই রেল পরিষেবা চালু করা হয়েছে। তবে সম্পূর্ণ সামাজিক দূরত্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি অন্যান্য সতর্কবার্তা মানার পরেই রেলে বসার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে যাত্রীদের। এবার আসুন এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক রেলের জারি করা নতুন নির্দেশিকাতে কি বলা হয়েছে যাত্রীদের উদ্দেশ্যে।

আরও পড়ুনঃ বাড়িতে যে স্থানে ঝাঁটা রাখলে খুলে যাবে আপনার ভাগ্য

ভারতীয় রেলওয়ের তরফে জারি করা বিবৃতি তথা নির্দেশিকাতে জানানো হয়েছে, এবার থেকে আর রাতে ঘুমানোর সময়ে ফোন চার্জে লাগিয়ে ঘুমনো যাবে না। সঙ্গে আরও যোগ করে বলা হয়েছে,রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত কামরার প্লাগ পয়েন্ট ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু হঠাৎ করেই এই সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল!জানা গিয়েছে বেশ কিছুদিন ধরেই দূরপাল্লার ট্রেন গুলিতে আচমকাই অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহ ঘটনার সম্মুখীন হতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।ফোনের চার্জিংয়ের সময়ে এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ নয়।

আরও পড়ুনঃ টানা মূল্যবৃদ্ধির পর আগামিকাল থেকে কমতে চলেছে ভর্তুকিযুক্ত রান্নার সিলিন্ডারের দাম

তাই যাত্রীদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষার জন্য এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে ভারতীয় রেলওয়ে। তবে কবে থেকে এই নিয়ম জারি করা হবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। প্রসঙ্গত দিন কয়েক আগেই দুপুরবেলা দেরাদুনগামী শতাব্দী এক্সপ্রেসে ভয়াবহ আগুন লাগে। প্রাথমিক তদন্তের পর জানা যায়, শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের ঘটনা ঘটেছে।যদিও সেই সময় রেলওয়ে গার্ড এবং অন্যান্য কর্মচারীদের তৎপরতার ফলের তড়িঘড়ি অগ্নিগ্রস্ত বগিটিকে রেলের বাদবাকি কামরাগুলো থেকে আলাদা করে দেওয়া হয়। তাই কোন রকম প্রাণহানি বা আহতের খবর শোনা যায়নি।