ক্যান্সার প্রতিরোধেও সক্ষম কিসমিস, জেনে নিন কিসমিসের উপকারিতা

ক্যান্সার প্রতিরোধেও সক্ষম কিসমিস, জেনে নিন কিসমিসের উপকারিতা
ক্যান্সার প্রতিরোধেও সক্ষম কিসমিস, জেনে নিন কিসমিসের উপকারিতা

কলকাতাহান্ট.কম :আমাদের অতি পরিচিত প্রিয় একটি উপাদান কিসমিশ। পায়েস, পোলাও, কেক যেটা ছাড়া কেমন যেন অসম্পূর্ণ লাগে।এই টক-মিষ্টি কিসমিস খাওয়ার রয়েছে বহু উপকারিতা।

কিশমিশে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ, আইরন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার। এটি শুধুমাত্র সুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাই নয়, হেলথ টনিক বা হাই এনার্জি ফুড সাপ্লিমেন্ট হিসাবেও খাওয়া হয়।

শুকনো কিসমিসের থেকে ভেজানো কিসমিসের উপকারিতা অনেক বেশি। এমনকি কিসমিস ভেজানো জলটিও শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী।

আরও পড়ুন- তবে কি টলিউড ছেড়ে হলিউডে গেলেন অভিনেত্রী? জল্পনা সোশ্যাল মিডিয়াতে

১. কিসমিসে ক্যাটেচিন নামে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরে ভেসে বেড়ানো ফ্রি রেডিকেল গুলোকে মেরে ফেলে। এই ফ্রিরেডিকেল গুলোই ক্যান্সার সেলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং মেটাস্টাটিসেও সাহায্য করে। তাই কিসমিস‌ রোজকার খাদ্যতালিকায় রাখলে ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব। এবং ক্যান্সার আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও ক্যান্সার বৃদ্ধির পরিমাণ অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

২. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগলে খালি পেটে প্রতিদিন কিসমিস ভেজানো জল খেতে পারেন। কিসমিসে থাকা পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৩. কিসমিসে থাকা আয়রন, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা মাত্রা বাড়ায় এবং তামা রক্তে লহিত রক্ত কণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। ফলের রক্তাল্পতায় কিসমিস খুবই উপকারী।

৪. কিসমিস ভেজানো জল রোজ সকালে খালি পেটে পান করলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়।

৫. প্রতিদিন সকালে কিসমিস ভেজানো জল এবং কিসমিস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন।

আরও পড়ুন-  হেডফোন এর ভিতর ঢুকে বসে রয়েছে একটি জ্যান্ত মাকড়সা, দেখুন সেই দৃশ্য

৬. কিসমিসে আছে ফেনল ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস ।‌ এর জীবাণুনাশক শক্তি ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাল ইনফেকশনের জন্য হওয়া জ্বর কমাতে সাহায্য করে।

৭. কিসমিসে থাকা ভিটামিন A , বিটা ক্যারোটিন, এবং A ক্যারোটিনয়েড চোখের স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী।
এছাড়াও এতে রয়েছে পলিফেনলিক ফাইটো-নিউট্রিয়েন্টস যা চোখে ফ্রিরেডিকেল আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে। ফলে চোখের দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাওয়া, ছানি পড়া রোধ করে।

৮. কিসমিসের রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং পটাশিয়াম। পটাশিয়াম হাড়ের ক্ষয় রোধ করে এবং হাড় শক্ত করে।

৯. কিসমিসে থাকা ওলিয়নেলিক অ্যাসিড নামে এক ফাইটোকেমিক্যাল আছে যা দাঁতের ক্যাভিটি, ক্ষয়, ও ভঙ্গুরতা থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। এছাড়া কিসমিসে থাকা ক্যালসিয়াম দাঁত শক্ত করে এবং এনামেল গড়তে সাহায্য করে।

১০.কিসমিসে থাকা বোরণ মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী। মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন – প্রেমিকার সঙ্গে রোমান্টিক নাচে অন্তরঙ্গ কৃষ্ণকলির নিখিল, মুহূর্তেই ভাইরাল সেই ভিডিও

১১. কিসমিস খেলে অত্যধিক খাওয়া নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। ‌ তবে অধিক মাত্রায় কিসমিস খেতে যাবেন না। এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন।

১২. কিসমিসে থাকা পটাশিয়াম হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে।

১৩. কিসমিস ভেজানো জল খেলে কিডনির সমস্যা কম হয়।‌ লিভার সুস্থ রাখে।

১৪. কিসমিস রক্ত পরিশুদ্ধ করে। শরীর দূষণমুক্ত রাখে। এতে থাকা আ্যন্টিঅক্সিডেন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

১৫. প্রাচীনকাল থেকেই কামোত্তেজক হিসেবে কিসমিস পরিচিত। এতে থাকা আরজিনিন লিঙ্গ শিথিলতা দূর করে। এছাড়া শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ায়। যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।