গ্রহের প্রতিকারে রুদ্রাক্ষ : না জানলে জেনে নিন বিস্তারিত

গ্রহের প্রতিকারে রুদ্রাক্ষ : না জানলে জেনে নিন বিস্তারিত
গ্রহের প্রতিকারে রুদ্রাক্ষ : না জানলে জেনে নিন বিস্তারিত

কলকাতাহান্ট.কম –রুদ্রাক্ষের উপকার : আধ্যাতিক উপকার ছাড়াও রুদ্রাক্ষে আরও দুটি উপকার সাধিত হয়। প্রথমত, আয়ুর্বেদ সংহিতায় বলা হয়েছে , রুদ্রাক্ষ উচ্চগুন সম্পন্ন হওয়ায়, রুদ্রাক্ষে বাত, কৃমি, শিরোরোগ, উচ্ছ রক্তচাপ, হিস্টিরিয়া,হৃদরোগ, বসন্তরোগ, শ্লেষ্মা ঘটিত রোগ, ক্ষয়রোগ, স্মৃতিভ্রষ্ট রোগ, বদহজম, পিত্তঘটিত রোগ, স্ত্রী ঘটিত রোগ ইত্যাদি নানারোগের উপশম হয়। দ্বিতীয়ত রুদ্রাক্ষে সমস্তরকম গ্রহদোষে দূর করে। গ্রহদের কুপ্রভাব থেকে মুক্ত হতে শিবশক্তি হলো ব্রম্ভাস্ত্র। শিবশক্তির সেই আধার ব্রম্ভস্ত্র রূপে রক্ষিত আছে রুদ্রাক্ষে। কিন্তু শুধু রুদ্রাক্ষ ধারণ করলেই সবকিছু সাধিত হয়ে গেলো তা নয়। মনের শুদ্ধতা নিয়ে, উৎসারিত ভক্তিপুঞ্জ দিয়ে শিবকে যেমন তুষ্ট করতে হয় তেমনি তুষ্ট করতে হবে গ্রহ দেবতাগণকেও।

আরও পড়ুন – কিছু রত্ন ও উপরত্নের বিশেষত্ব, জানলে অবাক হবেন আপনিও

একমুখী রুদ্রাক্ষ ধরণের ফল : এই রুদ্রাক্ষের নাম “শিব”, এই রুদ্রাক্ষ খুবই দুর্লভ এবং এটি অত্যন্ত মূল্যবান ও বটে। রুদ্রাক্ষের সমস্ত গুণাবলীই এতে বর্তমান। বলা হয়ে থাকে যে , এই রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে আধ্যাতিক জগতে অপরাজেয় হওয়া যায়। এতে লোকপ্রভাবনী শক্তির লাভ ঘটে। জাতচক্রে রাশিচক্রে রবি পাপপীড়িত হলে, কিংবা রবি জাতকের কোষ্ঠিতে দ্বিতীয়, ষষ্ঠ, অষ্টমে ও দ্বাদশে থাকলে এই রুদ্রাক্ষ জাতককে রক্ষা করে। তবে যেকোনো রুদ্রাক্ষ ধারণকালে যথাবিধি নিয়ম পালন করতে হবে। এবং ঈশ্বরের নাম জপ করতে হবে। (চলবে)….