ভারতীয় পুলিশ সেনাদের ৭৭ টি অপারেশনে শেষ হলো ১৭৭টি জঙ্গি

ভারতীয় পুলিশ সেনাদের ৭৭ টি অপারেশনে শেষ হলো ১৭৭টি জঙ্গ
ছবিঃ গুগল

এবার গোটা বছরের সাফল্য তুলে ধরলেন ডিজিপি।জম্মু কাশ্মীরে সংবিধানের ৩৭০ ধারা লোপের পরেই নাশকতার ঘটনা কমেছে ৫৪ শতাংশ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে যেদিন এমন দাবি করা হয়েছে সেদিন তিনজনকেই জঙ্গীকে শেষ করল সিআরপিএফ ও পুলিশের যৌথ বাহিনী। তবে এই অভিযানে একজন মহিলাও প্রাণ হারিয়েছেন। এই দুঃসংবাদ শুনে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ডিজিপি। তাই ডিজিপির সিধান্ত চলতি বছরে খুঁজে খুঁজে সব জঙ্গিকে এবার শেষ করতে হবে।

জম্মু-কাশ্মীরের ডিজিপি জানিয়েছেন, এদিন ফিরদৌসাবাদে জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর পাওয়ার পরেই সিআরপিএফ ও পুলিসের যৌথ বাহিনীকে তল্লাশি চালানোর হুকুম দেওয়া হয়। এবং তারা রাত প্রায় দেড়টা নাগাদ এলাকা ঘিরে ফেলে বাহিনী। তল্লাশির সময় জঙ্গিরা গুলি ছোড়ে জওয়ানদের লক্ষ্য করে। তারপরই পাল্টা জবাব দেয় সেনাবাহিনী। আর এই অভিযানে তিন জন জঙ্গিকে শেষ করা হয়েছে।

এখনো পর্যন্ত ৭৭ টি অপারেশন চালিয়েছে সিআরপিএফ, সেনা ও পুলিসের যৌথ বাহিনী। এখনো পর্যন্ত মোট ১৭৭ জন জঙ্গিকে শেষ করা হয়েছে। এরপর ডিজিপি জানিয়েছেন, গত কয়েক মাসে সাতটি অপারেশনে মোট ১৬ জন জঙ্গিকে শেষ করেছে বাহিনী। আর তাঁদের মধ্যে পাকিস্তানি জঙ্গি ও জঙ্গিগোষ্ঠী সংগঠনের নেতারাও ছিল।

গত কয়েক মাসে পঞ্চায়েত প্রধান ও একাধিক বিজেপি নেতাদের খুন করেছে জঙ্গিরা। এছাড়াও অনেক নেতাকে টার্গেট করেছে। জানা গেছে যে উপত্যকায় নাশকতার ঘটনা কমে গিয়েছে রেকর্ড হারে। এটাকে বড়োসড়ো সুখবর বলে দাবি করছে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর।

গত মঙ্গলবারই সেনা ও পুলিশের একটি যৌথ দল মিলে গ্রেফতার করে তিনজন যুবককে। ওই তিন যুবক পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে বলে জেরায় স্বীকার করেছে তারা।

সেনা বাহিনীর ও পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে ওই এলাকায় নাশকতার ছক কষেছিল হিজবুল মুজাহিদিন নামের একজন। এই এলাকার সমস্ত তথ্য পাঠাতো এরা। কাজেই এই তিন যুবককে গ্রেফতার করাটা একটা বড় সাফল্য বলে ধরেছে পুলিশ।