বিশ্বকর্মার কিছু অমর সৃষ্টি যা আজও আমদের আকর্ষিত করে

বিশ্বকর্মার কিছু অমর সৃষ্টি যা আজও আমদের আকর্ষিত করে
ছবিঃ গুগল

বিশ্বকর্মা নামের প্রকৃত অর্থ হল ‘এই বিশ্ব তারই কর্মবলে’ প্রত্যেক যুগে তিনি তার কর্মের কিছু কিছু অমর নিদর্শন রেখে গেছেন। বেদের যিনি বিশ্বের স্রষ্টা, পুরাণে তিনি দেবতাদের মধ্যে প্রধান শিল্পী। তাকে দেবতার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। তিনি সবধরনের শিল্প জানেন।

স্বর্গের, মর্ত্যের প্রত্যেক শিল্পের কারিগর তিনি। কারিগরী শিল্পের বিদ্যার উদ্ভব হয়েছে ঠাকুর বিশ্বকর্মার হাতেই। দেবতাদের অস্ত্রশস্ত্র এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী তৈরি হয়েছে বিশ্বকর্মার হাতে।

সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর, কলি প্রতি যুগেই তার শিল্পের নিদর্শন আছে। প্রতিটা যুগেই তার অমর কীর্তি মানুষের মনে যায়গা করে আছে। সত্যযুগে তৈরি করেছিলেন স্বর্গলোক সেখান থেকেই দেবরাজ ইন্দ্র মর্তলোকে শাসনব্যবস্থা দেখতেন। তিনি সৃষ্টি করেন সোনার লঙ্কা দ্বাপর যুগের সৃষ্টি করেন দারোকা আর কলিযুগের অমর সৃষ্টি হস্তিনাপুর ইন্দ্রপ্রস্থ।

দেবলোক :- দেবতাদের অন্যতম গর্বের জায়গা হলো দেব লোক। এই দেবলোক দখল করার জন্য তখন অসুরেরা বারেবারে আক্রমণ চালিয়েছিল। দেবলোক কে নিজের হাতে বানিয়ে ছিল বিশ্বকর্মা।

সোনার লঙ্কা:-  পুরাণে কথিত আছে, তিনি লঙ্কা মাতা পার্বতী এবং মহাদেবের জন্য নির্মাণ করেছিলেন পরবর্তী সময়ে লঙ্কার রাজা রাবণ মহাদেব কে সন্তুষ্ট করে তার কাছে বর হিসেবে লঙ্কার রাজা হন।

দ্বারকা:- দ্বাপর যুগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্য বাসভূমি নির্মাণের উদ্দেশ্যে এটি নির্মাণ করেছিলেন তিনি।বর্তমানে এটি গুজরাটে অবস্থিত। এই মন্দির দেখার জন্য প্রতিদিন হাজার হাজার পুণ্যার্থী এখানে আসেন্

হস্তিনাপুর এবং ইন্দ্রপ্রস্থ:- মহাভারতের গল্প আমাদের প্রায় সবার জানা।হস্তিনাপুর রাজপ্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন স্বয়ং বিশ্বকর্মা।ঠিক তেমনি পাণ্ডবদের জন্য ইন্দ্রপ্রস্থ নির্মাণ করেছিলেন তিনি।

সুদর্শন চক্র:- তিনি সূর্যের তেজের এক দশমাংশ তিনি কেটে নিয়ে বিষ্ণুর সুদর্শন চক্র তিনি তৈরি করেন।যাকে জয় করার ক্ষমতা কারো নেই।

শিবের ত্রিশূল:- শিবের ত্রিশূলও তৈরি করেন দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা।

পুস্পক রথ:- যে রথে চেপে রাবন রামপত্নী সীতাকে অপহরণ করে এনেছিলেন সেই রথও  বিশ্বকর্মা নাকি তৈরি করেছিলেন ।