সমুদ্রের অতল গভীরে কত কিছু বিষ্ময়কর জিনিস রয়েছে জানেন কি

সমুদ্রের অতল গভীরে কত কিছু বিষ্ময়কর জিনিস রয়েছে জানেন কি
সমুদ্রের অতল গভীরে কত কিছু বিষ্ময়কর জিনিস রয়েছে জানেন কি

কলকাতাহান্ট.কম : সমুদ্রের অতল গভীরে কত কিছু বিষ্ময়কর জিনিসই না লুকিয়ে আছে। এমন এমন অজানা জিনিস আছে যা আজও বিজ্ঞান এর কাছে অধরা। এ সমস্ত বিষয় বেশিরভাগ সময় লেখকদের লেখনীতে ফুটে উঠেছে। কিন্তু আজ সেই লিখিত রূপকথার গল্প না সোজাসুজি বৈজ্ঞানিক বিবরণ দিয়ে জানাবো সমুদ্রের নিচে থাকা প্রবাল আমাদেরকে জলবায়ু সম্পর্কে অনেক ধারণা দেয়। এবং এটি একটি সমীক্ষাতেই প্রমাণিত হয়েছে এবং সমীক্ষাটি করেছে পুনের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ মেট্রলজি ট্রপিক্যাল মেট্রলজি।

আরও পড়ুনঃ যোগীর রাজ্যে ভো*ট দিচ্ছে সানিলিওন, সোনম কাপুর, অনিল কাপুর জানুন একি কান্ড

গবেষকরা জানিয়েছেন লাক্ষাদ্বীপ মালদ্বীপের এই প্রবালের কিছু বৈশিষ্ট্যের মধ্য দিয়ে আমরা দেশের কয়েকশ বছরের জলবায়ু সম্বন্ধে জানতে পারবো। তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত প্রভৃতি সম্পর্কে এই প্রবল জগত আমাদের বহু অজানা তথ্য দিতে পারে।

আরও পড়ুনঃ আবারো ভাইরাল নেহা ফাতেহির ডান্স, দেখে নিন ভাইরাল সেই ভিডিও

এবং এই সমীক্ষা থেকে এটাও জানা যায় যে প্রবাল প্রাচীর থেকে আমরা গত কয়েকশো বছরের মৌসুমী বায়ু সম্পর্কেও ধারণা করতে পারব। বিজ্ঞানীদের মতে সমুদ্রের পৃষ্ঠতলের তাপমাত্রা মৌসুমী বায়ুকে প্রভাবিত করে এবং সমুদ্রের জলীয়বাষ্প তৈরীর পরিমাণ থেকে শুরু করে বাতাসের গতি প্রকৃতির দ্বারাও প্রভাবিত হয় মোসুমী বায়ু এবং বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ নির্ভর করে সী সারফেস এর টেম্পারেচার এর ওপর।

আরও পড়ুনঃ দেখে নিন ঝুমা বৌদি ওরফে অভিনেত্রী মোনালিসার ভাইরাল ভিডিও

আই আই টি এম এর প্রবীণ বিজ্ঞানী সুপ্রিয় চক্রবর্তী বলছেন লাক্ষাদ্বীপ এলাকার প্রবাল আন্দামানের প্রবালের চেয়ে ভালোভাবে সমুদ্র পৃষ্ঠের তাপমাত্রা রেকর্ড করে রাখতে পারে। প্রবালের বয়স সাধারণত ৩০০ থেকে ৪০০ বছর হয়ে থাকে। গাছের গুড়ির ভেতরের দাগ দেখে যেমন গাছের বয়স বোঝা যায় তেমন প্রবালের গুচ্ছ দেখে তাদের বয়স নির্ধারণ করা যায়।

আরও পড়ুনঃ করোনা-কে হারালেন আমাদের সকলের প্রিয় ফেলুদা, কোভিড মুক্ত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

এর আগেও প্রবাল এর ওপর সমীক্ষা থেকে পশ্চিমঘাট পর্বতের বৃষ্টিপাতের হিসেব পাওয়া গেছিল। বিজ্ঞানীরা বলছেন জলবায়ুর পরিবর্তন প্রবালের উপর ভীষণভাবে প্রভাব ফেলেছে। এছাড়াও আরো অন্যান্য কারণেও দিন দিন এদের পরিমাণ কমে আসছে। সুপ্রিয় চক্রবর্তী বলেছেন, যদি দ্রুত কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে খুব শীঘ্রই এদের বিলুপ্তির পথে যেতে হবে এবং ভবিষ্যতে গবেষণা করার আর সুযোগও থাকবে না এবং প্রকৃতি অচিরেই হারাবে এই অমুল্য সম্পদকে।