গাছের মগডালে তুমুল ল’ড়াই করছে দুটি বিশাল সাপ, ঘটল বিপত্তি, তুমুল ভাইরাল ভিডিও

ওয়ার্ল্ড হে’লথ অর্গানাইজেশন এর মতে বিশ্বে প্রায় তিন হাজার প্রজা’তির সাপ রয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ৬০০ টি প্রজাতির সাপ হল বিষাক্ত। সারা বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর আনুমানিক ৫৪ লক্ষ মানুষ সাপের কামড়ে আক্রান্ত হন। সাপের কামড়ের কারণে প্রতিবছর প্রায় ৮১,০০০ থেকে১,৩৩,০০০ মানুষ মারা যায় এদের মধ্যে বেশিরভাগই এশিয়া, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকার বাসিন্দা।আফ্রিকার সবচেয়ে বিপজ্জনক সাপ হল ব্ল্যাক মাম্বা।

আকৃতির দিক থেকে এই ব্ল্যাক মাম্বা আফ্রিকার সর্ববৃহৎ এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিষধর সাপ রূপে পরিচিত। কোন রকম ভাবে এর আক্রমণের শিকার হলে এই সাপ মারণ দাঁত দিতেও দ্বিধাবোধ করে না। ব্ল্যাক মাম্বার থেকে বড় পৃথিবীর একমাত্র প্রজাতির বিষধর সাপটির নাম শঙ্খচূড় বা কিং কোবরা। ব্ল্যাক মাম্বা তাদের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষায় সতর্ক এবং আক্রমণাত্মক প্রকৃতির হয়। এই ব্ল্যাক মাম্বা নামক সাপগুলির ত্বকের রং কালো নয়, বরং গাঢ় ধূসর জলপাই রংএর হয়। এই সাপের মুখের ভিতরের রং কালো। তাই এর নাম দেওয়া হয়েছে ব্ল্যাক মাম্বা। এদের বয়স যত বৃদ্ধি পায় তত দেহের রং আরও গাঢ় হয়ে যায়। ব্ল্যাক মাম্বা হল পৃথিবীর সর্বাধিক দ্রুততম সাপ।

এই সাপের দৈর্ঘ্য ১৪ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। এই সাপটি প্রায় ঘন্টায় ১২ মাইলের বেশি গতিতে দৌড়াতে পারে। ব্ল্যাক মাম্বা সাধারণত দক্ষিণ এবং পূর্ব আফ্রিকার সভানা অরণ্যে এবং পাথুরে পাহাড়ে দেখা যায়। ব্ল্যাক মাম্বা অ্যান্টিভেনমের আবির্ভাবের আগে ব্ল্যাক মাম্বার কামড় প্রায় সর্বদা প্রাণঘাতী ছিল। এই ব্ল্যাক মাম্বার বিষ সাধারণত স্নায়ুতন্ত্র এবং হৃদপিণ্ড কে আক্রমণ করে থাকে। প্রায় ২০ মিনিটের মধ্যে মৃত্যু ঘটতো। ব্ল্যাক মাম্বা সাধারণত ৬ থেকে ২০ টি ডিম দেয়। এরা গাছের উপরেই ঘুমোতে ভালোবাসে।

এই সাপগুলি বন্য অঞ্চলে ১১ বছর পর্যন্ত বেঁ’চে থাকতে পারে। বন্দী অবস্থায় তাদের জীবনকাল ২০ বছরেরও বেশি হতে পারে। এবার গাছের উপরে চেপে থাকতে দেখা গেল এক ব্ল্যাক মাম্বাকে। “রিচ ম্যাককল” নামক একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে পোস্ট করা ভিডিওতে এমনি দেখা গিয়েছে। সাপটির সামনে থাকা শিকারকে বারবার ধরতে যাচ্ছে সে। কিন্তু ভিডিওটি কোন স্থানের সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। এর মধ্যে ভিডিওটি প্রায় 13 মিলিয়ন লোক দেখেছে এবং ভিডিওটিতে ৩১ হাজার লাইকও পড়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button